প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের রংপুর ও চট্টগ্রাম দখল করার ব্যাপারে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে ভারতের বিহার রাজ্যের পাটনা জেলার শিক্ষক ও ইউটিউবার ফয়সাল খান, যিনি ‘খান স্যার’ নামে পরিচিত, তার কোচিং সেন্টারে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমসসহ একাধিক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এই তথ্য। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত মঙ্গলবার (২ জুন) রাত ১০টার দিকে পাটনার কদমকুয়ান থানার আওতাধীন ‘খান গ্লোবাল কোচিং ইনস্টিটিউট’-এ হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্ত এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে হামলায় ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ছিলেন, যারা অন্য একটি প্রতিদ্বন্দ্বী কোচিং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
ঘটনার পর খান স্যার গণমাধ্যমকে বলেছেন, কাছের একটি কোচিং সেন্টারের কিছু অসামাজিক ব্যক্তি আমাদের প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে। তারা আমাদের নিরাপত্তা রক্ষীকে গুরুতরভাবে মারধর করেছে এবং গুলিও চালিয়েছে। মূলত, কম খরচে শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল দেওয়াই আমাদের প্রতি তাদের এই ক্ষোভের কারণ।
এদিকে, এই হামলার ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে খান স্যারের অতীত বক্তব্য, যেখানে তিনি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করার সরাসরি হুমকি দিয়েছিলেন। ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল তার ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে বাংলাদেশর রংপুর ও চট্টগ্রাম নিয়ে খান স্যারকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা যদি বাংলাদেশের রংপুর নামের জেলাটির দিকে তাকাই—যদি এই রংপুর দখল করে নেওয়া হয়, তবে পুরো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। যদি আমরা এই এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করি, তবে পথটি চওড়া এবং সমান হয়ে যাবে। আমাদের যাতায়াতে আর কোনো সমস্যা থাকবে না; আমাদের যে সরু ঘাড় (চিকেনস নেক) ছিল, তা চওড়া হয়ে যাবে।’
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম নিয়ে একই ভিডিওতে তিনি আরও দাবি করেন, আমাদের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে মাত্র ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পরেই সমুদ্র শুরু হয়ে যায়। আমরা যদি এই সামান্য অংশটুকু দখল করে নিচে নেমে যাই, তবে ত্রিপুরা সরাসরি সমুদ্র পেয়ে যাবে। খুব সহজে বুঝা যাচ্ছে, তাহলে আমরা কেন মেঘালয়কে ‘গ্রেটার মেঘালয়’ এবং ত্রিপুরাকে ‘গ্রেটার ত্রিপুরা’ বানিয়ে দিচ্ছি না? খেলা খতম। ইন্ডিয়ান আর্মির এই ভূখণ্ডের কোথায় কী আছে সে বিষয়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতা এবং ধারণা রয়েছে। তারা সহজেই এলাকাটি ঘিরে ফেলতে পারবে। এর ফলে বাংলাদেশের ‘চট্টগ্রাম’ বিভাগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। যখন চট্টগ্রাম বিভাগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, তখন এই এলাকায় বাংলাদেশের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণও খতম হয়ে যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন