প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার কাটাছড়া ইউনিয়নের পূর্ব বামনসুন্দর এলাকায় ঘটেছে বাড়িতে হামলা, মারধর, শ্লীলতাহানির চেষ্টা এবং স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ। এই ঘটনার সাথে জড়িত ভুক্তভোগী আবদুল আল নোমান জোরারগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের বিকেল আনুমানিক পাঁচটার দিকে কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে তাদের পৈতৃক বসতবাড়িতে হামলা চালায়। হামলার সময় নোমানকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরো বলা হয়, নোমান রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসলে তাদের ভাড়াটিয়া স্ত্রীর জামাকাপড়ে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। একই সময়ে, তার গলায় থাকা প্রায় দুই ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এছাড়াও, মারধরের একপর্যায়ে একটি স্বর্ণের নাকফুল হারিয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে। ঘটনার পরে, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। অভিযোগ দায়েরের পরদিন সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ভুক্তভোগীর পিতা আমানুল্লাহ বলেন, ৯৯৯ থেকে সহযোগিতা পেলেও জোরারগঞ্জ থানার পুলিশ থেকে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পাননি তারা। ঘটনাস্থলে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের মাঝেও প্রতিপক্ষের কয়েকজনের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হক সাব নামের একজন ব্যক্তি জানান, তিনি ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন, তবে ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, হেলাল, আবুল কালাম ও আবুল কাশেম দাবি করেন, তারা ভাড়াটিয়া দম্পতির পারিবারিক কলহ থেকে অতিষ্ঠ ছিলেন। ঘটনার দিন বাড়ির মালিকের ছেলে প্রতিবেশীদের গালিগালাজ করলে তাকে একটি থাপ্পড় দিয়ে শাসন করা হয়। তবে স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন তারা। জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন