প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক প্রশাসনিক কেন্দ্র হোয়াইট হাউসকে নতুন এবং আধুনিক রূপে সাজাতে ট্রাম্প প্রশাসন প্রায় ৯২ কোটি ৭০ লাখ ডলার খরচের বিশাল এক মেগা পরিকল্পনা নিয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এটি হবে বিগত ৮০ বছরের ইতিহাসে হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে বড় এবং ব্যয়বহুল সংস্কার কাজ।
এই মেগা প্রকল্পের আওতায় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বহুল আলোচিত ইস্ট উইং বলরুম, একটি আধুনিক হেলিপ্যাড, নতুন দর্শনার্থী স্ক্রিনিং সেন্টার এবং লাফায়েট স্কয়ারের নিরাপত্তাসহ নানা অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
তবে এই বিপুল অর্থ জোগানে বেশ বিতর্কিত পথ বেছে নিয়েছে প্রশাসন। কংগ্রেসের কাছে সরাসরি বাজেট না চেয়ে তারা অন্যান্য সরকারি সংস্থা থেকে অর্থ স্থানান্তর করেছে। এটির মধ্যে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস ও সামরিক কার্যালয় থেকে সরানো হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি ডলার।
এছাড়া, প্রায় ৩০ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ব্যক্তিগত অনুদান এবং উৎস গোপন রাখা আরও ৭ কোটি ডলার এতে যুক্ত করা হয়েছে। এই কারণে বার্ষিক মাত্র ২৫ লাখ ডলার বরাদ্দ পাওয়া সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ অ্যাকাউন্টে ট্রাম্পের আমলে জমা হয়েছে মোট ৮৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
প্রকল্পের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ইস্ট উইং বলরুম নির্মাণের জন্য খরচ ধরা হয়েছিল ৬০ কোটি ডলার। তবে হোয়াইট হাউস পরে জানায়, ৪০ কোটি ডলার ব্যক্তিগত অনুদান দিয়ে এর নির্মাণকাজ চালানো হবে।
তবে এখানে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন ফেডারেল আপিল আদালত। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, আইনসভার অনুমোদন ছাড়া ট্রাম্প নিজ পছন্দে বলরুম তৈরি করতে পারবেন না। তবুও ট্রাম্প এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিড ইঙ্গল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবেই ‘বিল্ডার-ইন-চিফ’ ট্রাম্প হোয়াইট হাউসকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করার এই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন