প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীর পরীক্ষার কেন্দ্র পড়েছে আবুধাবিতে।
এটি ঘটেছে প্রথমবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষার সময়, যা হবে ২১ জুন (রবিবার)।
মহারাষ্ট্র রাজ্যের নাগপুর জেলায় এক শিক্ষার্থীর পরীক্ষার কেন্দ্র পড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির একটি বিদ্যালয়ে।
তার প্রবেশপত্রে ভিনদেশি কেন্দ্রে সিট পড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনার পেছনে দেশের ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণ রয়েছে বলে জানা গেছে।
দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তালিব যখন পুনঃনিট পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করেন, তখন তিনি দেখতে পান, তার পরীক্ষাকেন্দ্র ভারতের পরিবর্তে আবুধাবির একটি স্কুলে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এমনকি আবদুল্লাহ নাগপুর থেকে আবেদন করেছিলেন, যেখানে দেশের মধ্যেই পরীক্ষাকেন্দ্র পাওয়ার কথা ছিল।
বিষয়টি আরো জটিল হয়ে ওঠে, যখন এটি জানা যায় যে আবদুল্লাহর কোনো পাসপোর্ট নেই।
ফলে বিদেশে গিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রবেশপত্রের একটি ছবিতে আবুধাবির একটি ভারতীয় স্কুল পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিষয়টি এনটিএর নজরে আসার পর, সংস্থাটি এটিকে প্রযুক্তিগত ত্রুটির ফল বলে উল্লেখ করে।
শিক্ষার্থীর পরিবারের দাবি, আবদুল্লাহ আবেদন করার সময় পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে নাগপুর, ওয়ার্ধা ও ভান্ডারা শহরগুলিকে পছন্দের তালিকায় রেখেছিলেন।
কিন্তু প্রবেশপত্রে তার পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে আবুধাবির উল্লেখ থাকায় তারা ক্ষুব্ধ।
তার বাবা ডা. মোহাম্মদ তালিব বলছেন, ‘প্রবেশপত্র দেখে আমরা হতবাক হয়ে গেছি।
আমার ছেলে কাঁদতে শুরু করেছিল। তার তো পাসপোর্টই নেই।’
এনটিএ জানাচ্ছে, অভিযোগটি যাচাই করার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবদুল্লাহকে নাগপুরে একটি পরীক্ষাকেন্দ্র বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং সংশোধিত প্রবেশপত্র ইস্যু করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন