প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : ফিলিপাইনের উত্তরাঞ্চলের বেঙ্গুয়েত ও রিজাল প্রদেশে পৃথক দুটি ভূমিধসে অন্তত চারজনের মৃত্যু ঘটেছে। দেশের কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে, একটি ক্রান্তীয় নিম্নচাপের কারণ হিসেবে টানা ভারী বৃষ্টির ফলে উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এর ফলে স্কুলগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ম্যানিলা থেকে সড়কপথে প্রায় ছয় ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত বেঙ্গুয়েত প্রদেশে বৃহস্পতিবার একটি পাহাড়ের ঢাল ধসে ছোট একটি রেস্তোরাঁর ওপর পড়ে যায়। এই ঘটনায় রান্নাঘরে থাকা তিন কর্মী মাটির নিচে চাপা পড়েন।
ম্যানিলা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবরটি জানাচ্ছে।
বেঙ্গুয়েত প্রাদেশিক পুলিশের কর্নেল ডিওনিসিও বনয় সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘একজন জীবিত আছেন। দুজন ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন।’ তিনি জানিয়েছেন, ‘স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে জীবিত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এটিই ছিল আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। ঈশ্বরের কৃপায় আমরা আশা করছি, তিনি বেঁচে থাকবেন।’
এদিকে, দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা পৃথকভাবে জানিয়েছে, এর আগের দিন পাশের রিজাল প্রদেশে আরেকটি ভূমিধসে আরও দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন।
দ্বীপদেশটির প্রধান দ্বীপ লুজনে গত চার দিন ধরে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। এই বৃষ্টির কারণে রাজধানী ম্যানিলাসহ উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ কয়েকটি প্রদেশে সরকারি অফিস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সরকারি আবহাওয়াবিদ জন মানালো জানিয়েছেন, আগে ক্রান্তীয় ঝড় ‘কুজিরা’ নামে পরিচিত নিম্নচাপটি ফিলিপাইন সাগরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং এর স্থায়ী বাতাসের গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৫৫ কিলোমিটার।
তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, ‘তীব্র বাতাস এখনও দেশের বেশির ভাগ এলাকায় আঘাত হানতে পারে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘টানা বৃষ্টির কারণে মাটি ইতোমধ্যে পুরোপুরি সিক্ত হয়ে গেছে। ফলে বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি আরও বেড়েছে।’
প্রশান্ত মহাসাগরীয় ঘূর্ণিঝড় বলয়ের মুখোমুখি হওয়া প্রথম বড় স্থলভাগ হলো ফিলিপাইন, যেখানে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ২০টি ঝড় ও টাইফুন আঘাত হানে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন