প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাজেট ঘোষণার পূর্বেই সরকার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করার মাধ্যমে সাধারণ জনগণের ওপর এক অসহনীয় ও বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে, এ ব্যাপারে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
সরকারের এই গণবিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তিনি।
বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে কাফরুল থানা জামায়াতের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই মন্তব্য ও কর্মসূচির ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ইরান যুদ্ধকালীন কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে দেশে আজ ভয়াবহ জ্বালানি সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে এই সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করে, বিরোধী দলকে উপেক্ষা করে একের পর এক গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বাজেট পেশের আগেই সবকিছুর দাম বৃদ্ধির এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
সংসদীয় গণতন্ত্রের এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কিত মন্তব্য করতে গিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘যদি সংসদ কার্যকর থাকে, তবে দেশের শাসন সুসংগত হয়। কারণ মাথা ঠিক থাকলে লেজও ঠিক থাকে। কিন্তু আমরা নামমাত্র কোনো গৃহপালিত বিরোধী দল হিসেবে থাকতে চাই না। জামায়াতে ইসলামী সংসদ ও রাজপথ—দু ক্ষেত্রে বিরোধী দলের কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য бদ্ধপরিকর।’
দেশের ব্যাংকিং খাতের চরম অব্যবস্থাপনা সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, ‘জনগণের আমানত রক্ষা না করে সরকার এক এক করে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিচ্ছে। এখন ফ্যাসিবাদী কায়দায় ইসলামী ব্যাংককে দখলের পাঁয়তারা করা হচ্ছে।’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি ইসলামী ব্যাংকের আন্দোলনরত সাধারণ গ্রাহকদের ওপর নতুন করে কোনো হামলা হয়, তবে আমি সরাসরি রাজপথে আন্দোলনে নামব।’
ব্যাংক খাতের এই অরাজকতার কারণে দেশের অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যদি ব্যাংক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ভয় থেকে প্রবাসীরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো বন্ধ করে দেয়, তবে দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাবে।’ উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন