প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিয়ের প্রলোভনে কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সহকারী পুলিশ কমিশনার (এএসপি) মো. সোহেল উদ্দিন প্রিন্সকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জামিন বাতিল করার এই নির্দেশটি বুধবার (১ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নাজমিন আক্তার ইভা দেন।
মামলার বাদী সহকারী কর কমিশনার মোসা. তানজিনা সাথীর করা আবেদনের পর আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুন একই আদালত সোহেল উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ গঠন করে। উল্লেখ্য, সোহেল উদ্দিন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) সদর সার্কেলে সর্বশেষ কাজ করছিলেন।
বাদীপক্ষের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট আপস-মীমাংসার শর্তে সোহেল উদ্দিন জামিন লাভ করেছিলেন। কিন্তু সময় গড়িয়ে গেলেও তিনি মামলার বিষয়ে কোনো আপসের উদ্যোগ নেননি কিংবা প্রতিশ্রুতি পালন করেননি। এ কারণে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়।
অন্যদিকে, আসামির পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম খান দাবি করেছেন, তার মক্কেল বাদীর কোনো অর্থ আত্মসাৎ করেননি এবং তিনি মিথ্যা মামলায় হয়রানির শিকার। উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত সোহেল উদ্দিন প্রিন্সের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২৩ নভেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
মামলায় বলা হয়েছে যে, ২০১৭ সালে ৩৬তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বাদী এবং সোহেল উদ্দিন প্রিন্সের পরিচয় ঘটে, যা পরে প্রেমে রূপ নেয়। সোহেল উদ্দিন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাদী ও তার পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন এবং বিভিন্ন সময়ে মোট ২ কোটি ৩২ লাখ ১১ হাজার টাকা নিয়ে যান। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরে তিনি বাদীকে বিয়ে করেননি এবং যে টাকা নিয়েছেন তা ফেরত দেননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন