প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস মাঠে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর তিনি স্পেনের দুই ফুটবলার এরিক গার্সিয়া ও গাভির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখেছেন। এ ঘটনাটি নিয়ে ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
ম্যাচ শেষে যখন স্পেনের ফুটবলাররা শিরোপা উদযাপনে ব্যস্ত ছিল, তখন এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে পারেদেস বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানায়, একপর্যায়ে পারেদেস গার্সিয়াকে ঘুষি মারেন।
এদিকে পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন গাভি, কিন্তু উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এর মধ্যে আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা গাভিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন, এবং পরে পারেদেস গাভির মুখেও আঘাত করেন। যার ফলে গাভি মাঠে পড়ে যান।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে যান আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে পারেদেসকে সরিয়ে নেন। পরে প্রধান রেফারি পারেদেসকে লাল কার্ড দেখান।
কী কারণে পারেদেস এতটা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন, সে বিষয়টি সম্পর্কে আর্জেন্টিনা দলের পক্ষ থেকে কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ম্যাচ শেষে কোচ স্কালোনি ছাড়া দলের অন্য সদস্যরা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি।
এই ঘটনার পর আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের আচরণের সমালোচনা করেছেন সাবেক ইংলিশ ডিফেন্ডার গ্যারি নেভিল। তিনি বলেন, আর্জেন্টিনার লড়াকু মানসিকতা তার ভালো লাগে, তবে সাম্প্রতিক কিছু ম্যাচে তাদের আচরণ হতাশাজনক।
বিবিসিতে সাবেক স্ট্রাইকার অ্যালান শিয়ারার মন্তব্য করছেন, পারেদেস একজনের মুখে দুই থেকে তিনবার আঘাত করেছেন, যা ফুটবলে মেনে নেওয়ার মত নয়। হার মেনে নেওয়ার একটি উপায় রয়েছে। সাবেক ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জো হার্টও আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের আচরণের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ম্যাচ শেষে লিওনেল মেসিই ছিলেন একমাত্র ফুটবলার, যিনি প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে হাত মিলিয়েছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন