প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারকে দেওয়া চিঠির উত্তরের জন্য পুলিশ অপেক্ষায় রয়েছে। এই চিঠিটি ১৬ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে পরদিন সেটি কূটনৈতিক চ্যানেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছে যায়।
গতকাল পুলিশ সদর দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, সেই চিঠির উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। দুদক এবং পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে ১৬ জুন ঢাকার সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে নথিপত্র প্রস্তুতি করা হয়েছে। আইজিপি আলী হায়দার চৌধুরীর নেতৃত্বে ইন্টারপোলের স্থানীয় সমন্বয় শাখা থেকে দুই সদস্যের একটি দল দুদকের অনুসন্ধান দলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং তারা এই কার্যক্রমে অংশ নেয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাফিজুল ইসলামের উপস্থিতিতে নথিপত্র প্রস্তুত, অনুবাদ ও ফাইল করার কাজ সম্পন্ন করে, সেই দিন বিকালে তা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী দুবাইয়ে বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। সাবেক এই আইজিপির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, মানি লন্ডারিং, পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ মোট ছয়টি দুর্নীতি মামলা রয়েছে।
এসব মামলাগুলোর মধ্যে একটি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় ইতোমধ্যে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। আদালত সূত্র জানায়, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলাটির বিচার ঢাকা শহরের বিশেষ জজ আদালত-৫-এ চলমান রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন