প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে শিল্পায়নের নতুন সম্ভাবনা এবং উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব, বলেছেন, এ অঞ্চলে শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠার সুযোগ-সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আগামী দুই মাসের মধ্যেই একটি চীনা প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে।
শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এসময় বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ঠাকুরগাঁওসহ এ অঞ্চলে শিল্পায়নের সুযোগ রয়েছে এটা নিশ্চিত হতে আগামী দু-এক মাসের মধ্যেই একটি চীনা প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসবে।
তিনি আরও বলেন, একটি জাতির উন্নয়ন কেবল বাইরের সহায়তায় সম্ভব নয়; দেশের আত্মনির্ভরশীলতা, শিক্ষা বিস্তার এবং কঠোর পরিশ্রমও প্রয়োজন।
চীনের উন্নয়নের উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশটি নিজস্ব প্রচেষ্টা, দক্ষ জনশক্তি এবং উৎপাদনশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আজ বিশ্বের অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
মন্ত্রী আরও যোগ করেন, আমাদেরও আত্মনির্ভর হতে হবে এবং নিজেদের শক্তির ওপর ভর করে এগিয়ে যেতে হবে। এভাবে বাংলাদেশ উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির পথে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শিশুদের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন প্রজন্মকে আরও শিক্ষিত, দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উন্নত শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে যাবে। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, চলতি বছরের জুলাই অথবা আগস্ট মাসের মধ্যেই একটি চীনা প্রতিনিধিদল এখানে আসবে এবং সম্ভাব্য সহযোগিতা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো পরিদর্শন করবে।
অবশেষে, অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিরা ঠাকুরগাঁও পৌর এলাকার ৩৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬ হাজার ৩০৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অঙ্গনের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন