প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে গেট কারপাসের সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা গেট কারপাস না করার ফলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটেছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, পূর্বে অতীতে আমরা কোনো অবৈধ মালামালের দায়ভার না নিয়ে ভারতীয় আমদানীকৃত পণ্যবাহী ট্রাকের কারপাস (গেটপাস) দিয়ে গ্রহণ করে আসছিলাম। তবে, গত শনিবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ একটি নির্দেশনা জারি করেন, যার মাধ্যমে স্ব-স্ব সিএন্ডএফ এজেন্টের কর্মচারীদের দায়িত্ব নিয়ে ভারতীয় আমদানীকৃত পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহণ করতে হবে। সেই ট্রাকে যদি কোনো অবৈধ মালামাল থাকে, সেক্ষেত্রে সিএন্ডএফ প্রতিনিধিকে দায়ভার নিতে হবে।
এ প্রসঙ্গে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কোনো দায়ভার নিতে রাজি হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দায়ভার না নেওয়ার শর্তে সিঅ্যান্ডএফের পক্ষ থেকে আমরা কোনো গেট পাস ইস্যু করছি না। তার ফলে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে।
বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা নিয়মিত বাংলাদেশে মালামাল রপ্তানি করে। তারা পণ্যের ভেতরে কী রয়েছে তা ভালোভাবে জানেন। ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা যদি পথে কোনো অবৈধ মালামাল তুলেন, তাহলে সেই দায়ভার কোনো সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বা স্টাফরা নিতে পারে না। কাস্টমসের এমন সিদ্ধান্তের জন্য বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানিয়েছেন, কারপাসের জটিলতার কারণে শনিবার থেকে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য স্থগিত রয়েছে। তবে, রপ্তানি ও চেকপোস্টের মাধ্যমে পাসপোর্ট যাত্রীদের পারাপার কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন