প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ ভয়াবহ বিমান হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে বেরিয়ে আসার সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন যে, তিনি নিজের জীবনের চেয়ে বেশি নেতার নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করেছিলেন। লেবাননভিত্তিক টেলিভিশন আল মায়াদিনকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে আরাগচি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা করেন। তিনি জানান, জেনেভা আলোচনার পর শুক্রবার ফিরলে শনিবার সকাল ৯টায় সাইয়্যেদ খামেনির কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি আলোচনা ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট দিচ্ছিলেন। আরাগচির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলার সময় তিনি ভবনের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। যদিও ভবনের একাংশ পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি, তবুও তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়েন। তিনি বলেন, ‘সাইয়্যেদ আলী খামেনির শাহাদাতের মুহূর্তে আমি তার অফিসেই ছিলাম, যেখানে হামলা সংঘটিত হয়।' নিজের বেঁচে থাকার কথা তখন তিনি ভাবেননি বলেও জানান। হামলার সময় তিনি বলেন, 'আমি নিজের জীবন নিয়ে চিন্তিত ছিলাম না, আমি নেতার নিরাপত্তা নিয়েই গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ছিলাম।' এরপরের ৪৮ ঘণ্টা তিনি অত্যন্ত কষ্টে কাটান এবং শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত হন যে সুপ্রিম লিডার নিহত হয়েছেন। আব্বাস আরাগচি জানান, হামলার আগে খামেনিকে নিরাপদ স্থানে সরানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। খামেনি বলেছিলেন, ‘যতক্ষণ না ইরানের প্রতিটি মানুষের জন্য নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত হচ্ছে, ততক্ষণ আমি কোনো নিরাপদ স্থানে যাব না। আমার জনগণ যা ভোগ করবে, আমিও তাই ভোগ করব।’ আরাগচি আরও বলেন, খামেনি মানুষের হৃদয়ে রাজত্ব করতেন এবং যুদ্ধকালীন নির্দেশনা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সরাসরি দিতেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন