প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরের জয়দেবপুরে চেতনানাশক পদার্থ মিশ্রিত দধি খাইয়ে এক মা এবং তাঁর কিশোরী মেয়েকে অচেতন করার পর কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি অভিযান চলাকালীন গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে অভিযুক্ত মো. রাশিদুল পালোয়ানকে (৪৫) আটক করা হয়। তিনি জয়দেবপুর থানার আরগড়িয়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। অভিযানে পুলিশ সদস্য এসআই মাইকেল বনিক নেতৃত্ব দেন, যিনি মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও। এ সময়ে জিএমপি কোনাবাড়ী থানার এসআই মো. আব্দুল হামিদ মিয়াও অভিযানে অংশ নেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইকেল বনিক জানান, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত মো. রাশিদুল পালোয়ান এবং অভি কুমার দাসের বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে যে, বাদী সুমতি মজুমদার এবং অভিযুক্তদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল সুমতি মজুমদারের ছেলে সজল মজুমদারের মাধ্যমে। সেই পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে ৭ জুলাই গভীর রাতে অভিযুক্তদের একজন তাদের বাড়িতে দধি পাঠান। অভিযোগ জানিয়েছে, পাঠানো দধির সঙ্গে চেতনানাশক পদার্থ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল। দধি খাওয়ার পর সুমতি মজুমদার এবং তাঁর কিশোরী মেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।
এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, ভোররাতে মা-মেয়ে অচেতন থাকার সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়িতে প্রবেশ করে এবং কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। কিন্তু কিশোরীর চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে উঠলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে অসুস্থ অবস্থায় মা ও মেয়েকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পুলিশ বলেছে, ঘটনার সকল দিক গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং মামলার বাকি আসামিকে আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন