প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব তীব্র হচ্ছে। গত চার দিনের টানা সময়কাল ধরে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এই পরিস্থিতিতে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ কখনোই ছাড়বে না বলে ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
দেশটির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলি আকবর বেলায়াতি বলেছেন, "বিশ্বের কোনো শক্তিই হরমুজ প্রণালির ওপর থেকে তেহরানের মালিকানা কেড়ে নিতে পারবে না।"
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে সাবেক এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, "হরমুজ প্রণালি ইরানেরই অংশ। সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সাহসী ও বিচক্ষণ নির্দেশে এই প্রণালি ইরানের নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ৪০ দিনের যুদ্ধে এটি একটি মূল্যবান অর্জন।"
গত কয়েক দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাচ্ছে। ওয়াশিংটনের দাবি হলো, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য ইরান যাতে আর হুমকি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যেই এই হামলা চালানো হচ্ছে। এর পূর্বে ইরান ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের বিকল্প রুট ব্যবহার করা কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। এর মধ্যে বাহরাইন ও কুয়েতে থাকা মার্কিন স্থাপনাও রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের অবকাঠামোতে হামলা চালায়, তবে ওয়াশিংটনের মিত্র উপসাগরীয় দেশগুলোর অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দফতরের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম যুলফাগারি এক বিবৃতিতে বলেছেন, "ট্রাম্প যদি তার হুমকি বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন, তাহলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী এই অঞ্চলের সব অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেবে, যাতে সেগুলোর আর কোনো চিহ্নই না থাকে।"
তিনি আরও বলেন, "ইরান হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না। কোনো অবস্থাতেই এবং কোনোভাবেই আমরা আমেরিকাকে, একটি বিদেশি ও আঞ্চলিক বাইরের দেশ হিসেবে, হরমুজ প্রণালিতে হস্তক্ষেপ করতে দেব না। এটি ইরানের চূড়ান্ত রেড লাইন।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন