প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কানাডায় চলতি বছরে ইমিগ্রেশন সংকট দেখা দিয়েছে। দেশে বর্তমানে স্থায়ী বাসিন্দা বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্টস গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বিদেশি কর্মী, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং অন্যান্য অস্থায়ী বাসিন্দার সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ার কারণে, কানাডায় প্রায় ২৯ লাখ মানুষের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে কানাডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
চলতি বছরে দেশটি স্থায়ী বাসিন্দা বা পার্মানেন্ট রেসিডেন্টসের জন্য মাত্র তিন লাখ আশি হাজার আসন রেখেছে। ফলে চলতি বছরে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের কানাডায় থাকার বৈধ পথ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে, যাদের পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ওয়ার্ক পারমিট রয়েছে, তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। এছাড়াও, তাদের পরিবার সদস্যরাও, যারা বাংলাদেশি প্রবাসী হিসেবে কানাডার স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ ও খাদ্য শিল্পে বছরের পর বছর কাজ করে আসছে, তারাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন।
এখন, দেশটির মোট টেম্পোরারি রেসিডেন্টের প্রায় ৫০ শতাংশ দক্ষিণ এশিয়ান হিসেবে বিবেচিত। এ ছাড়াও, বাংলাদেশ থেকে আসা শিক্ষার্থী ও কর্মীরাও এই সংকটের কবলে পড়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে, ওয়ার্ক পারমিট ধারীদের বিনা স্টাডি পারমিটে পড়াশোনার বিশেষ সুযোগ আগামী ২৭ জুন শেষ হতে চলেছে। ইতোমধ্যে অনেকে তাদের ওয়ার্ক পারমিটের মেয়াদ শেষ হওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছেন।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই দেশের উন্নয়ন ও অর্থনীতির গতিকে শক্তিশালী করার জন্য একের পর এক পরিকল্পনা গ্রহণ করে চলছেন। তবে আশার বিষয় হলো, দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও অনেকের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করছেন, সরকারের এটি একটি পরিকল্পিত নীতি, যার উদ্দেশ্য হলো টেম্পোরারি বাসিন্দাদের দেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য করা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন