প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে এপ্রিল মাসে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি সংকুচিত হয়েছে।
দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিকস (ওএনএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য থেকে এ চিত্র উঠে এসেছে, যা আলজাজিরা জানিয়েছে।
ওএনএসের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল মাসে যুক্তরাজ্যের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ০.১ শতাংশ কমেছে। মার্চ মাসে অর্থনীতি ০.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল এর আগে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি মন্থর হয়ে পড়েছে।
অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশের পর ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত শুরুর আগে প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ছিল এবং মূল্যস্ফীতি কমছিল।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটি এমন একটি যুদ্ধ নয়, যা আমরা চেয়েছিলাম অথবা যাতে আমরা অংশ নিয়েছি। তবে এর প্রভাব আমাদের দেশেও পড়বে।’
অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি যুক্তরাজ্যের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।
একই সঙ্গে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা এবং জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে নতুন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুধু তাই নয়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। যা দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদের হার নীতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে এবং বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আগামী মাসগুলোতে অনেকটাই নির্ভর করবে জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের গতিপ্রকৃতির ওপর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন