প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এ বছর দাখিল পরীক্ষায় গাজার মাদরাসার মোতাবেক কালীগঞ্জের উত্তর জামালপুর বালিকা দাখিল মাদরাসার সমস্ত শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। মাদরাসার অধ্যক্ষ দাবি করে বলেন, ‘বৈশ্বিক ছাত্রীদের বিয়ে হয়ে যাওয়ায় এই ফলাফলের বিপর্যয় ঘটেছে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই শূন্য ফলাফলের চেয়ে বড় বিস্ময় রয়েছে মাদরাসার শিক্ষক সংখ্যায়। এখানে মোট ১৪ জন শিক্ষক রয়েছেন। অর্থাৎ, শুধু পাঁচজন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক ছিলেন প্রায় তিন গুণ। এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষক মিলে মাত্র পাঁচজন ছাত্রীকেও পাস করাতে পারেনি।
কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, চলতি বছরে দাখিল পরীক্ষায় এই মাদরাসা থেকে পাঁচজন ছাত্রী অংশ নিয়েছিল, কিন্তু তাদের সকলের নামের পাশে অকৃতকার্য শব্দটি লেখা এসেছে। শিক্ষার্থী সংখ্যা কম, কিন্তু শিক্ষকের কোনো অভাব নেই- এমন একটি প্রতিষ্ঠানে কেন এভাবে বিপর্যয় ঘটেছে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে।
ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ জানতে চাইলে মাদরাসার অধ্যক্ষ কাজী মোহাম্মদ আবু হানিফ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ বছর আমাদের মাদরাসা থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, তবে কেউ পাস করতে পারেনি। আমাদের প্রতিষ্ঠানে ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।’
তবে ব্যর্থতার দায় নিয়ে তিনি সরাসরি নিজের কাঁধে বোঝা নিতে না পেরে এক অদ্ভুত অজুহাত তুলে ধরলেন। তার কথায়, ‘আসলে ভালো ছাত্রীরা বিয়ে হয়ে যাওয়ার কারণে এ ধরনের ফলাফল এসেছে।’ কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান জানান, এ ঘটনার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ডাক呼 করা হয়েছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গাজীপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আল মামুন তালুকদার বলেন, ‘কালীগঞ্জের মাদরাসায় চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত শিক্ষক রয়েছেন। কেন এমন ফলাফল হলো, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন