ঢাকা শুক্রবার, ০৮ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিজরী
শুক্রবার, ০৮ই মে, ২০২৬ইং ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩২বাং

আবারও শুরু হচ্ছে ‘মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল’ প্রতিযোগিতা


আবারও শুরু হচ্ছে ‘মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল’ প্রতিযোগিতা

আবারও শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা মিস ইন্টারকন্টিনেন্টালের বাংলাদেশ পর্ব-২০২৬। ১৯৭১ সালে শুরু হওয়া এই আয়োজনটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং মর্যাদাপূর্ণ সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হিসেবে স্বীকৃত।

এবারের আসর হচ্ছে এটি ৫৩তম আয়োজন, যেখানে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করবেন। বাংলাদেশের জন্য নির্বাচিত একজন প্রতিযোগী আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

এবারের আয়োজনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে ইমেকার্স বাংলাদেশ। এ বিষয়ে ইমেকার্স বাংলাদেশের পরিচালক নাঈম আশরাফ জানান, আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে একটি রিয়ালিটি শো আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে ‘মিস ইন্টারকন্টিনেন্টাল বাংলাদেশ’ নির্বাচন করা হবে।

আরও পড়ুন: যে এলাকার নেতা প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, সে এলাকায় কি উন্নয়ন হবে না: গোলাম পরওয়ার

তিনি আরও বলেন, ‘এই প্ল্যাটফর্ম তরুণীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও প্রতিভাকে তুলে ধরতে ভূমিকা রাখবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে যুবক আটক, উদ্ধার ৫০ হাজার ট্যাবলেট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে যুবক আটক, উদ্ধার ৫০ হাজার ট্যাবলেট

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানার নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে ৫০ হাজার ইয়াবাসহ আশিকুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে শহীদ বশরুজ্জামান গোলচত্বর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আশিক গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকার বাবর আলীর ছেলে।

বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৫টার দিকে নতুন ব্রিজ এলাকার পুলিশ বক্সের সামনে রাস্তা থেকে আশিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক জোরদারে ওপর গুরুত্ব প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনে সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ক জোরদারে ওপর গুরুত্ব প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থা তৈরি করার লক্ষ্যে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সুসম্পর্কের (সিভিল-মিলিটারি রিলেশন) ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, "পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি সুদৃঢ় সিভিল-মিলিটারি সম্পর্ক দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।" সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় রাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে চলমান জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৬ এর অংশ হিসেবে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই বিষয়টি তুলে ধরেন।

এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে এই সম্পর্কের গভীর শিকড় বিদ্যমান। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, যিনি একজন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন, তার ঘোষণার মাধ্যমেই স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জনগণের বাহিনী হিসাবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহায়তার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছিল।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দেশের সকল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বক্তৃতার শুরুতেই ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। সেইসঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ বিভিন্ন দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ উৎসর্গকারী সশস্ত্র বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি নিহত ছাত্র-জনতাকেও স্মরণ করেন যে, তারা ছিল জুলাই আন্দোলনের ভুক্তভোগী।

শামছুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক সম্মেলন দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমের সমন্বয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী সম্মেলনের দিকনির্দেশনা মাঠপর্যায়ে কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে জনগণের সেবা আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এই প্রেক্ষাপটে, দেশের উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনকল্যাণ নিশ্চিতকরণের জন্য জেলা প্রশাসকদের নিরলস পরিশ্রম ও দায়িত্ববোধ প্রশংসনীয় আখ্যা দেন। তিনি জানান, “একটি আধুনিক, আত্মমর্যাদাশীল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে জাতীয় নিরাপত্তা, সুশাসন এবং কার্যকর প্রশাসনিক সমন্বয় অপরিহার্য।”

প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ সংশ্লিষ্ট আলোচনায় ইতোমধ্যেই কার্যকর বিষয়গুলো সঞ্চালিত হয়েছে। বাহিনী প্রধানরাও তাদের বক্তব্যে নিজ নিজ বাহিনীর অবস্থান এবং মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।

শামছুল ইসলাম আরও বলেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী আজও প্রকৃত অর্থেই জনমানুষের বাহিনী হিসাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত রেখেছে, যা দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তারা বারবার প্রমাণ করেছে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও অন্যান্য দুর্যোগ পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা প্রদান করে সশস্ত্র বাহিনী জনগণের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে যে ঐতিহাসিক বন্ধন গড়ে উঠেছিল, তা আজও অটুট রয়েছে এবং জাতীয় অগ্রযাত্রায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী সবসময়ই বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় নিজেদের সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে আসছে। বিশেষভাবে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ের কথা উল্লেখ করেন, যখন সরকারের অনেক প্রতিষ্ঠান প্রত্যাশিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছিল, সে সময় সশস্ত্র বাহিনী সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিরলসভাবে কাজ করেছে। সুপ্রিম কোর্ট, সচিবালয়, ব্যাংক, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় সার্বক্ষণিক উপস্থিতি বজায় রেখে তারা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি ও জননিরাপত্তা সুরক্ষায় ভূমিকা রেখেছে।

তিনি বলেন, অস্থিতিশীল অবস্থাতেও দেশপ্রেমিক সামরিক বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক সমাধানের ওপর আস্থা রেখে শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। তবে কিছু অসাধু ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গোষ্ঠী নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে সামরিক বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করেছে। তারা সকল ব্যর্থতার দায় সামরিক বাহিনীর ওপর চাপিয়ে সিভিল-মিলিটারি সম্পর্কে ফাটল ধরাতে চেয়েছিল। কিন্তু জনগণের আস্থা, সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং বেসামরিক প্রশাসনের একত্রিত সমন্বয়ের কারণে সেই অপচেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি।

ড. শামছুল ইসলাম অতীতে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনায় উল্লেখ করে বলেন, কোনো ব্যক্তির যদি সামরিক বাহিনীর বাইরে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে অপরাধে জড়ায়, তাহলে তার দায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর নয়। ব্যক্তি বিশেষের অপরাধের দায় ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্র ও সংবিধানের প্রতি সর্বদা অনুগত ছিল, আছে এবং থাকবে।

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে জাতীয় নিরাপত্তার বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি জানান, "শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ছাড়া জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়।" আজ জাতীয় নিরাপত্তা কেবল ভূগোলের সীমান্ত রক্ষা বা প্রচলিত সামরিক সংঘর্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং সাইবার হামলা, সন্ত্রাসবাদ, জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি, তথ্যযুদ্ধ, উপকূলীয় ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জ্বালানি অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের মতো বহুমাত্রিক হুমকির অন্তর্ভুক্ত।

শামছুল ইসলাম বলেন, নিরাপত্তা এখন একটি সমন্বিত ও বহুমাত্রিক ধারণা। যেখানে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সাইবার সুরক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এ বাস্তবতায় কোনো একক বাহিনী বা প্রতিষ্ঠান বিচ্ছিন্ন প্রচেষ্টায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। বেসামরিক প্রশাসনের সহযোগিতা ও সামরিক বাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতার সমন্বয়ই একটি কার্যকর ও টেকসই নিরাপত্তা কাঠামোর ভিত্তি।

এ প্রেক্ষাপটে তিনি ‘Whole of Government Approach’ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। উপদেষ্টা বলেন, রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সিভিল প্রশাসন ও সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত প্রয়াসই জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পূর্বশর্ত। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নির্বাচনী ইশতেহারে উল্লেখিত প্রতিরক্ষা সক্ষমতা অর্জনে এই কৌশলের বাস্তবায়ন অপরিহার্য।

তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যা “Credible Deterrence” নিশ্চিত করবে; অর্থাৎ সক্ষমতার মাধ্যমে সম্ভাব্য শত্রুকে আগ্রাসনের চিন্তা থেকে বিরত রাখবে। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার করে কর্মক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত গতি ও দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য তিনি জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানান।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ‘Citizens in Uniform’ হিসাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা সমাজের সর্বস্তর থেকে এসে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাভাবিক জীবন ছেড়ে কঠোর প্রশিক্ষণ, ত্যাগ ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে সৈনিকের জীবন বেছে নেয়। সশস্ত্র বাহিনী কেবল চাকরির স্থান নয়, এটি একটি জীবনধারা। একজন সৈনিক প্রতিদিন কঠোর প্রশিক্ষণ, প্রশাসনিক দায়িত্ব এবং দেশরক্ষার অঙ্গীকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখে।

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা সতর্ক করে বলেন, বেসামরিক পরিমণ্ডলে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের যথাযথ মর্যাদা প্রদান না করলে ভবিষ্যতে দেশের যোগ্য তরুণ-তরুণীদের সামরিক পেশায় আকৃষ্ট করা কঠিন হয়ে পড়বে। এর ফলে জনবিচ্ছিন্ন ও অকার্যকর সশস্ত্র বাহিনী তৈরির ঝুঁকি দেখা দেবে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অশনি সংকেত হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈদে দেশে ফেরা হলো না সৌদি প্রবাসী শাওনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


ঈদে দেশে ফেরা হলো না সৌদি প্রবাসী শাওনের

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার শাওন মির্জা (২৫) নামে এক যুবক মৃত্যুবরণ করেছেন। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় তিনি দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে এভাবে আকস্মিকভাবে তার মৃত্যুতে তার স্বজনদের মধ্যে শোকের তীব্র ছায়া নেমে এসেছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাওন।

নিহত শাওন মির্জা ভাঙ্গা পৌরসভার নওপাড়া গ্রামের সাবেক পুলিশ সদস্য মৃত জাহিদ মির্জার সন্তান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে কাজ শেষ করে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাসায় ফেরার পথে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন শাওন মির্জা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসার দ্বারা মঙ্গলবার সকালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন ভাঙ্গা পৌরসভার সাবেক কমিশনার জহুরুল হক মিঠু।

তিনি উল্লেখ করেন, গত কয়েক বছর ধরে শাওন সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় তার দেশে ফেরার পরিকল্পনা ছিল। তার আকস্মিক মৃত্যুর ফলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরদেহটি দ্রুত দেশে আনতে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন জহুরুল হক মিঠু।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলে ভবনে বিধ্বস্ত ছোট বিমান, প্রাণ গেল ৩ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং

০৭:৩০ পি.এম


ব্রাজিলে ভবনে বিধ্বস্ত ছোট বিমান, প্রাণ গেল ৩ জনের

দক্ষিণ-পূর্ব ব্রাজিলের মিনাস গেরাইস রাজ্যের রাজধানী বেলো অরিজন্তে শহরে সোমবার একটি যাত্রীবাহী ছোট বিমান আবাসিক ভবনের ওপরে আছড়ে পড়েছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাইলট ও কো-পাইলটসহ মোট তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় দমকল বাহিনী ও সরকারি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় দমকল বাহিনীর প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে জানা যায়, উড্ডয়নের মাত্র কয়েক মিনিটের মাথায় বিমানটি একটি তিনতলা আবাসিক ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে। যদিও প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী বিমানে চারজন আরোহী ছিলেন বলে জানানো হয়েছিল, পরে বোঝা যায় এতে মোট পাঁচজন যাত্রী ছিলেন। ঘটনাস্থলেই বিমানটির পাইলট ও কো-পাইলট নিহত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। বাকি দুই যাত্রী বর্তমানে আশঙ্কাজনক কিন্তু স্থিতিশীল অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসার অধীনে রয়েছেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানটি স্থানীয় সময় দুপুরে শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পাম্পুলহা বিমানবন্দর থেকে সাও পাওলোর উদ্দেশ্যে রওনা করেছিল। তবে, এই দুর্ঘটনার পেছনে যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে ঘটেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, বিমানটি যে ভবনের ওপর আছড়ে পড়েছিল, সেই ভবনের কোনো বাসিন্দা এই ঘটনায় হতাহত হননি। ভবনের কাঠামোগত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫৮
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩২
মাগরিব ০৬:৩০
ইশা ০৭:৪৭
সূর্যোদয় : ০৫:২০ সূর্যাস্ত : ০৬:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%