প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জোহানেসবার্গের পশ্চিমে একটি পানশালায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রোববার পুলিশ জানায়, হামলাকারীদের সংখ্যা ছিল আটজন এবং তাদের হাতে ছিল অ্যাসল্ট রাইফেল।
এটি দক্ষিণ আফ্রিকায় সর্বশেষ বড় ধরনের বন্দুক হামলার ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার রাতের দিকে হামলাটি সংঘটিত হয়। হামলাকারীরা পালানোর আগে পানশালার কয়েকজন গ্রাহকের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন নারী রয়েছেন।
হামলার উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। পালিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহভাজনরা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুলিশ জানায়, ‘সন্দেহভাজনদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও অন্যান্য বিশেষায়িত ইউনিটের সমন্বয়ে একটি দল মোতায়েন করা হয়েছে।’
এদিকে, রোববার ভোরে কেপটাউনের বাইরে একটি টাউনশিপের বিনোদনকেন্দ্রে পৃথক বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বন্দুকধারীদের গুলিতে ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং ১১ জন আহত হয়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকায় বৈধ ও অবৈধ—দুই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যাপক বিস্তার রয়েছে। দেশটিতে বন্দুক হামলার ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে। এসব হামলার পেছনে অনেক সময় গ্যাংগুলোর দ্বন্দ্ব এবং অনানুষ্ঠানিক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিযোগিতা ভূমিকা রাখে।
দক্ষিণ আফ্রিকার জনসংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ এবং এখানে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ হত্যার হার রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৬০ জন মানুষ হত্যার শিকার হন।
চলতি বছরের মার্চে জোহানেসবার্গের সহিংসতাপ্রবণ এলাকায় সেনা মোতায়েন করা হয়। পুলিশি প্রচেষ্টাকে সহায়তা করার জন্যই সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা দেশের সামনে থাকা সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি হিসেবে ব্যাপক অপরাধপ্রবণতার কথা উল্লেখ করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন