প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুবক হার্নান আলবার্টো গিল ফ্লোরেসকে ১০০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অভিযানের পর উদ্ধার করা হলো। মৃত্যুকে খুব কাছে থেকে দেখা সত্ত্বেও তিনি বেঁচে ফিরলেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে যখন প্রাণের খোঁজ চলছিল, তখনই উদ্ধারকারীরা গিলের হদিস পান। কিন্তু তাঁকে উদ্ধার করা সহজ কাজ ছিল না, বলে জানিয়েছেন এক উদ্ধারকারী। বহুতলের ভেঙে পড়া কংক্রিটের জঙ্গল সরিয়ে গিলকে উদ্ধার করতে ১০০ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগেছে। উদ্ধারকারী দলের সদস্য মিনইয়ার কোলাডো সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা যখন গিলকে উদ্ধার করলাম, তখন তিনি ক্ষীণ কণ্ঠে বারবার একটি কথাই বলছিলেন, আমি বেঁচে আছি, এ কথাটা স্ত্রীকে জানাবেন না।’ কোলাডো জানান, নতুন জীবন পাওয়ার পরও গিলের এ ধরনের অনুরোধ শুনে উদ্ধারকারীরা স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন। গিলের এই কথার কারণ জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, ‘আমি এখন বেঁচে আছি ঠিকই, কিন্তু কতক্ষণ বাঁচব তারও তো নিশ্চয়তা নেই! তাই স্ত্রীকে না জানানোই ভালো।’ তবে গিলের বেঁচে ফেরার খবর তাঁর স্ত্রী গুসবিমান গোনজালেজের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। আট দিন ধরে ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে ছিলেন গিল, বাঁচার জন্য মরিয়া চেষ্টা করে গিয়েছেন। গিল উল্লেখ করেন, ‘একটা সময় মনে হয়েছিল, উদ্ধারকারীরা হয়তো আমার কাছে পৌঁছোতেই পারবেন না। আমি যে এখানে আটকে রয়েছি, কেউ জানতেই পারতেন না। ঈশ্বরের কৃপায় আমি বেঁচে ফিরলাম।’ গত ২৪ জুন দুই দফায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল ভেনেজুয়েলায়। প্রথমটির কম্পনমাত্রা ছিল ৭.২ এবং দ্বিতীয়টির ৭.৫। এতে মৃত্যু হয়েছে আড়াই হাজারেরও বেশি মানুষের। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রাণের খোঁজ চলছে। এবং যখন সেই খোঁজ চলছিল, তখনই ১৪০ টন কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপের নীচে থেকে জীবিত অবস্থায় গিলকে পাওয়া যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গিল স্থানীয় একটি বহুতল শপিং মলে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন। ভূমিকম্পের সময়ে তিনি শপিং মলের বেসমেন্টে ছিলেন। পুরো শপিং মল কম্পনের ফলে ধসে গিয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন