প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অবশ্যই জানাতে হবে, মাত্র চার মাস আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবেই পুরস্কৃত হন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি সবসময় নিজেকে সৎ অফিসার হিসেবেই দাবি করতেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে অভিযোগ, যে তিনি কোম্পানীগঞ্জের বিভিন্ন কোয়ারি ও সমতল ভূমি থেকে বালু-পাথর লুটে সহযোগিতা করছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে কোম্পানীগঞ্জ থানার বিভিন্ন স্থানে বালু ও পাথরের ট্রাক থেকে পুলিশের টাকা আদায়ের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ওসি শফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আরো শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।
এই পরিস্থিতির কারণে, গত বৃহস্পতিবার তাঁকে কোম্পানীগঞ্জ থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে এই বিষয়ে ওসি শফিকুল ইসলাম খানকে প্রত্যাহারের খবরটি চাউর হয়ে যায়।
জানা গেছে, সিলেট জেলা পুলিশের মিডিয়া অফিসার মো. সম্রাট তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এবিষয়ে জানা যায়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি জেলার ‘শ্রেষ্ঠ ওসি’ নির্বাচিত হয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছ থেকে পুরস্কার পান। স্থানীয় সূত্র জানায়, ওসি শফিকুল ইসলাম কোম্পানীগঞ্জ থানায় যোগদানের পর থেকে চোরাচালান এবং বালু-পাথর লুটের ঘটনা বেড়ে যায়। তিনি চোরাকারবারী ও বালু-পাথর লুটকারীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলেন এবং থানা পুলিশ দিয়ে নিয়মিত টাকা আদায় করতে থাকেন।
এ প্রসঙ্গে সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে, তাঁকে থানায় থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন