প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দ্বীপ বালির কাছের একটি ফেরিতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে, যা থেকে মঙ্গলবার ১০০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিউবাহিনীর একটি জাহাজসহ কয়েকটি নৌযান দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে।
দেশটির জন্য এটি ফেরিতে আগুন লাগার দ্বিতীয় ঘটনা, যা মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ঘটলো।
বার্তা সংস্থা এএফপি'র মাধ্যমে খবর পাওয়া গেছে যে, ফেরিটির যাত্রী ও ক্রুর মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। যাত্রীদের তালিকা অনুযায়ী, সেই ফেরিতে অন্তত ১১৪ জন আরোহী ছিলেন।
অন্যদিকে, ফেরিটি বালি থেকে পাশের দ্বীপ লম্বকের উদ্দেশ্যে চলার সময় ভোররাতে মাঝসমুদ্রে আগুন লাগে। লম্বক দ্বীপের মাতারাম এলাকার অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ হারিয়াদি জানিয়েছেন, ফেরিটিতে মোট কতজন যাত্রী ছিল, তা এখন যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, নৌবাহিনীর একটি জাহাজ ও অতিরিক্ত একটি ফেরিসহ অন্তত তিনটি জাহাজে করে যাত্রীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী জাহাজগুলো কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া, একটি হেলিকপ্টার আকাশ থেকে পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
হারিয়াদি মেট্রো টিভিকে নিশ্চিত করেছেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা কোনো হতাহতের খবর পাইনি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা জাহাজটির কাছে গিয়ে নিশ্চিত হয়েছি যে সব যাত্রীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ওই জাহাজে কোনো যাত্রী নেই—আমরা সেখানে কাউকেই দেখতে পাচ্ছি না।’
এর আগে, গত সপ্তাহে জাভা দ্বীপের কাছে অন্য একটি ফেরিতে আগুন লাগার ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়।
১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়ায় নৌপথের মাধ্যমে যাতায়াত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটিতে নিয়মিতভাবে নৌযান দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটে। দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অত্যাশ্চর্য আবহাওয়াই মূলত এসব দুর্ঘটনার কারণ।
গত মাসে সুলাওয়েসির দক্ষিণে ছোট দ্বীপ সেলাইয়ারের কাছে ৭০ জনেরও বেশি যাত্রী বহনকারী একটি ফেরি ডুবে যায়। এই ঘটনায় উদ্ধারকারী দল চারজনের মরদেহ উদ্ধার করলেও, অনুসন্ধান অভিযান শেষ হওয়ার সময় আরো ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন