০৭:৪৫ এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে সহায়তা কার্যক্রমটি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (৫ মে) তিনি এই ঘোষণা দেন। ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির পথে ‘ব্যাপক অগ্রগতি’ হওয়ার দাবি করে এই পদক্ষেপের কথা জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, যিনি উপসাগর থেকে আটকে পড়া ট্যাংকারগুলোকে বের করে আনার জন্য সোমবার থেকে শুরু হওয়া প্রচেষ্টার রূপরেখা তুলে ধরেছিলেন, সেই অপারেশনের নাম ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’।
যার পর, সংঘাত শুরু হওয়ার পর এই প্রণালীটি কার্যত বন্ধ রয়েছে, যা বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ আটকে দিয়েছে এবং একটি বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে।
আরও পড়ুন: জামায়াত ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হবে, এটা আগে কেউ মনে করতেন না: শফিকুর রহমান
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘আমরা পারস্পরিকভাবে সম্মত হয়েছি যে, অবরোধ পূর্ণমাত্রায় কার্যকর থাকলেও, ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্বল্প সময়ের জন্য স্থগিত থাকবে, যাতে চুক্তিটি চূড়ান্ত ও স্বাক্ষরিত হতে পারে কি না তা দেখা যায়।’
তবে এ বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, সেখানে তখন বুধবার ভোর ছিল।
ট্রাম্পের পোস্টের কিছুক্ষণ পরেই, মার্কিন অপরিশোধিত তেলের ফিউচার মূল্য ২ দশমিক ৩০ ডলার কমে যায় এবং ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের নিচে নেমে আসে। এটি দুই মাস আগে সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার পর থেকে একটি বহুল আলোচিত সীমা ছিল।
এদিকে, কী অগ্রগতি হয়েছে বা এই বিরতি কতদিন স্থায়ী হবে, সে বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে হোয়াইট হাউস তাৎক্ষণিকভাবে কোনো উত্তর দেয়নি।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প-শি বৈঠক শেষে ধোঁয়াশা: কে কার কথা মানলেন, কী হলো পর্দার আড়ালে?
রুবিও এবং প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মঙ্গলবার এর আগে স্পষ্ট করেছেন যে, প্রণালীটির যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে ইরানকে অনুমতি দেয়া যাবে না।
মাইন, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং দ্রুত-আক্রমণকারী নৌযান মোতায়েনের হুমকি দিয়ে ইরান কার্যকরভাবে প্রণালীটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করেছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য প্রহরীসহ যাতায়াতের ব্যবস্থা করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন