প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঈশ্বরদী শহরের দাশুড়িয়া মদিনাতুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় অনিয়ম এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছগির উদ্দিনের বিরুদ্ধে।
শিক্ষার্থীদের দাখিল ও আলিম পরীক্ষার ফরম পূরণে পরীক্ষা না দিয়েই সুযোগ দেওয়া সহ প্রশাসনিক বিভিন্ন স্বেচ্ছাচারিতার কারণে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংসের মুখে পড়েছে। বিষয়টি সঠিকভাবে নজর না দেওয়ার কারণে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের স্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে সমিতির প্রশ্নপত্র ব্যবহার করে পরীক্ষা বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন।
এসব অনিয়মের প্রেক্ষিতে দায় চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সঠিক উত্তর দিতে পারেননি এবং এসময় উল্টো অন্য শিক্ষকদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছেন। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এখানে স্থানীয় সচেতন মহল, অভিভাবক, এবং (নাম প্রকাশ না করার শর্তে) শিক্ষকেরা অভিযোগ জানিয়েছেন যে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ছগির উদ্দিনের কারণে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে বার্ষিক, প্রি-টেস্ট কিংবা টেস্ট পরীক্ষা না দিয়েই অযোগ্য শিক্ষার্থীদের দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগ রয়েছে আলিম পরীক্ষার ক্ষেত্রেও, যেখানে টেস্ট পরীক্ষা ছাড়াই অনৈতিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও, সরকারী নীতিমালা অমান্য করে সমিতি থেকে প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা নেওয়ার জন্য অভিযোগও উঠেছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। ক্লাস রুটিন সময়মতো টাঙানো হয় না এবং বিষয়ভিত্তিক যোগ্য শিক্ষকদের দিয়ে ক্লাস না করিয়ে নিজের খেয়ালখুশিমতো প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করছেন তিনি।
এভাবে বার্ষিক, প্রি-টেস্ট, এবং টেস্ট পরীক্ষা না দিয়ে শিক্ষার্থীদের ফাইনাল পরীক্ষার সুযোগ দিলে তাদের পড়ার মানসিকতা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিষয়ভিত্তিক qualified শিক্ষকদের ক্লাসে পাঠানো হয় না। শিক্ষা অফিসের নির্দেশনা পর্যন্ত মেনে চলা হচ্ছে না, ফলে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে।
এবং এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জমির উদ্দিন। নিজের অপকর্ম ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা ঢাকা দিতে মাদ্রাসার সহকর্মী শিক্ষকদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটির এমন নজিরবিহীন অনিয়মে অভিভাবক ও সচেতন মহল চরম ক্ষুব্ধ। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দুর্নীতি দায়ী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে মাদ্রাসার শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন