ঢাকা শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ইং ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩২বাং

২০ কোটির পারিশ্রমিক ছেড়ে প্রযোজক হতে চান শ্রদ্ধা কাপুর


২০ কোটির পারিশ্রমিক ছেড়ে প্রযোজক হতে চান শ্রদ্ধা কাপুর

বলিউডে তারকাদের পারিশ্রমিক নেওয়ার প্রচলিত ধরন পরিবর্তন হচ্ছে। এককালীন মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক নেওয়ার বদলে এখন অনেক তারকা সিনেমার লাভ, স্বত্বাধিকার ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির অংশীদার হচ্ছেন। এ ধারাবাহিকতায় অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুরও সে পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

‘শার্ক ট্যাংক ইন্ডিয়া’খ্যাত উদ্যোক্তা অশনির গ্রোভারের জীবন নিয়ে নির্মিতব্য বায়োপিকে শ্রদ্ধা তার স্ত্রী মাধুরী জৈন গ্রোভারের চরিত্রে অভিনয় করবেন। সিনেমাটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করবেন রাহুল মোদি। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম, বিশেষ করে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য শ্রদ্ধাকে প্রায় ২০ crore রুপি পারিশ্রমিক দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

তবে সর্বশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এককালীন সেই বিশাল অঙ্কের পারিশ্রমিক নেওয়ার পরিবর্তে শ্রদ্ধা সিনেমাটির অন্যতম প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হওয়ার কথা ভাবছেন। ফলে তিনি শুরুতে নির্দিষ্ট কোনো পারিশ্রমিকও না নিতে পারেন। পরিবর্তে তিনি সিনেমার স্বত্ব, ওটিটি বিক্রি এবং বক্স অফিস থেকে অর্জিত লাভের একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রাপ্তির সুযোগ পাবেন। সিনেমাটি যদি ব্যবসাসফল হয়, তাহলে শ্রদ্ধার আয় পরবর্তীতে প্রস্তাবিত ২০ কোটি রুপি থেকে অনেক বেশি হতে পারে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ডিজিএফআই পরিচয়ে প্রতারক মাসুদুর রহমান আটক

বলিউডে এই ধরনের ব্যাবসায়িক মডেল নতুন নয়। সম্প্রতি অক্ষয় কুমারও এমন একটি কাঠামো থেকে লাভবান হয়েছেন বলে জানা যায়। তিনি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সিনেমায় তুলনামূলক কম পারিশ্রমিক নিয়ে সিনেমাটির বড় একটি অংশের স্বত্ব নিজের ও তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের নামে রেখেছিলেন। সিনেমাটি সফল হলে খবর রয়েছে যে তার আয় ৩৫ কোটি রুপি ছাড়িয়ে গেছে।

শুধু অক্ষয় নন, শাহরুখ খান, আমির খান, সালমান খান, অজয় দেবগন ও রণবীর সিংয়ের মতো শীর্ষ তারকারাও পারিশ্রমিকের ওপর নির্ভর না করে সিনেমার লাভের অংশীদার হওয়ার মডেলে ঝুঁকছেন। এতে সিনেমা সফল হলে তাদের আয়ের পরিমাণও বহু গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে।

এদিকে শ্রদ্ধা কাপুর বর্তমানে তার পরবর্তী সিনেমা ‘ইথা’র শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। জানা গেছে, এই সিনেমার জন্য তিনি ১২ থেকে ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক পাচ্ছেন। তবে অশনীর গ্রোভারের বায়োপিকের ক্ষেত্রে শ্রদ্ধা প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়ে সিনেমার লাভের অংশীদার হতে চান, নাকি ২০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেবেন—এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণাও আসেনি। ফলে শ্রদ্ধার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকেই এখন ভক্তদের নজর।

আরও পড়ুন: এনবিআরের আন্দোলনে শাস্তি পাওয়া ৩ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামীর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


আগামীর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামীর বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হবে।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই কথা উল্লেখ করেন।

দেশে প্রথমবারের মতো এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় তিনটি গ্রাম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

নির্বাচিত তিনটি গ্রাম হলো- দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিংগাছড়ি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদি শাসনের ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্র ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এখন তা পুনর্গঠনের সময় এসেছে। এই লক্ষ্যে কাজ করছে বর্তমান সরকার।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কোনো এক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পক্ষে সম্ভব নয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোবিন্দগঞ্জে পরিত্যক্ত ফ্লাওয়ার মিল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


গোবিন্দগঞ্জে পরিত্যক্ত ফ্লাওয়ার মিল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে একটি পরিত্যক্ত ফ্লাওয়ার মিল এলাকা থেকে লাইজু মিয়া (৩০) নামক এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে উপজেলার ফাঁসিতলা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত লাইজু মিয়া কামারদহ ইউনিয়নের ফেলুকাড়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে স্থানীয়রা একটি পরিত্যক্ত ফ্লাওয়ার মিলের কাছে পড়ে থাকা মরদেহটি দেখতে পায়। এরপর বিষয়টি জানার পর পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক নিশ্চিত করেন যে, মরদেহটি উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে এবং এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


তিন গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনে ভঙ্গুর হয়ে পড়া রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি পরীক্ষামূলকভাবে তিনটি গ্রামকে ‘এসডিজি ভিলেজ’ হিসেবে উদ্বোধন করেছেন।

 

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো নির্ধারণ বিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি উল্লেখ করেন, যে ভাবে বাংলাদেশ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) বাস্তবায়নে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে, সে ভাবেই সরকার এসডিজি বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। এসডিজির মূলনীতি ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ বর্তমান সরকারের ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ নীতির সঙ্গে মিলে যায়।

বিএনপির রাজনীতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে সরকারপ্রধান জানান, বিএনপির রাজনীতি সবসময় জনবান্ধব। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ‘ভিশন ২০৩০’ এবং বর্তমানের রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার সঙ্গে এমডিজি ও এসডিজির মধ্যে অতি সামান্য অমিল রয়েছে।

তিনি বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শোষণ-শাসনের ফলে বাংলাদেশকে একটি ঋণনির্ভর ও আমদানিনির্ভর ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রগুলোতে এই ভঙ্গুর রাষ্ট্রটি এখন পুনর্গঠনের জন্য যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। এই পুনর্গঠনে এসডিজির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, জনগণের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত অর্থনৈতিক কাঠামো গ্রহণ করেছে, যা জাতিসংঘের এসডিজির সঙ্গে সমন্বিত। ‘সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ স্তম্ভ’র মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার পাশাপাশি মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ ও এসডিজি বাস্তবায়নের অগ্রগতি সুসংহত করতে ‘থ্রি-আর’ বা ‘রিকভারি, রিহ্যাবিলিটেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন’ কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সাময়িক স্থিতিশীলতা থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত রূপান্তর বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

গণমাধ্যমে তিনি জানান, সরকার গঠনের পরদিন থেকেই সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের জন্য কৃষক কার্ড এবং স্বাস্থ্যসেবায় ই-হেলথ কার্ডের মতো কর্মসূচিগুলো চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি স্পোর্টস কার্ড চালু করা হয়েছে এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী ভাতার আওতায় আনা হয়েছে। চলতি মেয়াদের মধ্যেই পর্যায়ক্রমে সম্ভাব্য প্রতিটি নাগরিককে সামাজিক সুরক্ষা বলয় ও আর্থিক কাঠামোর আওতায় আনার সুচিন্তিত পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী পরীক্ষামূলকভাবে তিনটি গ্রামে ‘এসডিজি ভিলেজ’ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। গ্রাম তিনটি হলো—রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিঙ্গাছড়ি, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর।

এই গ্রামগুলোতে ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, কৃষক কার্ড, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের ঋণ, স্কুল ড্রেস, মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, গ্রাম পর্যটন, ব্লু-এমপ্লয়মেন্ট, ওয়ান ভিলেজ-ওয়ান প্রোডাক্ট, বৃক্ষরোপণ, খাল খনন ও ইকোট্যুরিজমসহ বিভিন্ন কর্মসূচি একযোগে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সাফল্যের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দেশজুড়ে এই মডেল সম্প্রসারণ করা হবে এবং এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি ‘ডেভেলপমেন্ট মডেল’ হয়ে উঠবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মক্কা চুক্তি’ শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ: নিরাপত্তা বিশ্লেষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


‘মক্কা চুক্তি’ শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ: নিরাপত্তা বিশ্লেষক

সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিটি এখনও বাস্তব কার্যকারিতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি, বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা নীতি ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক উলফগ্যাং পুস্তাই। তার মতে, এই চুক্তিটি আপাতত ‘কাগজে লেখা কালির’ মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

পুস্তাই জানান, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক হামলার পরও তুরস্ক বা পাকিস্তানের সেনাদের দেশটিতে মোতায়েন হতে দেখা যায়নি। ফলস্বরূপ, চুক্তিটি বাস্তবে কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

তিনি বলেন, “আমরা দেখিনি যে হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার কারণে পাকিস্তানি বা তুর্কি সেনারা সৌদি আরবে গেছে। এই কারণে চুক্তিটির বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।”

সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশকে নতুন করে নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে ফেলেছে। পুস্তাই উল্লেখ করেন, সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাতেও তুরস্কের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনও সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি।

তার মতে, “উপসাগরীয় দেশগুলো, যার মধ্যে সৌদি আরবও রয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হলেও আমরা তুরস্কের কোনও প্রতিক্রিয়া দেখিনি।”

পুস্তাইয়ের মতামত হলো, কোনও প্রতিরক্ষা চুক্তির কার্যকারিতা মূলত নির্ভর করে সেটি সংকটের মুহূর্তে বাস্তবে কতটা প্রয়োগ করা যায় তার ওপর। যদি কেবল চুক্তিতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষার প্রতিশ্রুতি থাকে, তবে তা কার্যকর প্রতিরোধব্যবস্থায় পরিণত হয় না।

তিনি বলেন, যদি তিন দেশের ভূখণ্ডে বাস্তবে কোনও সেনা উপস্থিতি না থাকে, অথবা সৌদি আরব আক্রান্ত হলে সেখানে অবস্থানরত পাকিস্তানি ও তুর্কি সেনারা যদি সরাসরি হামলার শিকার না হন, তাহলে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিটি কার্যকরভাবে কাজ করা কঠিন হবে।

বিশ্লেষকের মতে, একটি কার্যকর সামরিক জোটের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র রাজনৈতিক অঙ্গীকার যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন বাস্তব সামরিক সমন্বয়, সেনা মোতায়েন, যৌথ প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা এবং হামলার ক্ষেত্রে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা।

তুরস্ক, সৌদি আরব এবং পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান ও তুরস্কের সামরিক সক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। তবে পুস্তাইয়ের মন্তব্য ইঙ্গিত করে যে, চুক্তির রাজনৈতিক গুরুত্ব থাকলেও এর প্রকৃত সামরিক সক্ষমতা এখনও পরীক্ষিত হয়নি।

ফলে ভবিষ্যতে সৌদি আরব যদি কোনো বড় ধরনের সামরিক হামলার মুখে পড়ে, তা হলে তুরস্ক ও পাকিস্তান কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়, সেটিই হবে এই প্রতিরক্ষা চুক্তির বাস্তব কার্যকারিতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:২৭
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:২২
মাগরিব ০৬:০৭
ইশা ০৭:১৮
সূর্যোদয় : ০৫:৪৩ সূর্যাস্ত : ০৬:০৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%