প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮(ক) ধারা বিলোপ করবে। অর্থমন্ত্রী সোমবার বাজেট আলোচনায় বলেন, বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে এই ধারাটি বিলোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বার্তা স্পষ্ট– যারা জনগণের সম্পদ লুট করেছে, তাদের প্রতি কোনো শক্তি বরদাস্ত করা হবে না। সরকারের উদ্দেশ্য হল, আমানতকারীর স্বার্থকে নিশ্চিত করা।
এসময় অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মাধ্যমে বিএনপি সরকার গত ১০ এপ্রিল অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করে। আইনটি সংসদে পাসের আগে ১৮(ক) নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছিল। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো ব্যাংক রেজোল্যুশনের আওতায় যাওয়ার পূর্বে যারা এর শেয়ার ধারক ছিলেন, তারা চাইলে পরবর্তীতে সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায়িত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে এই সুযোগ দিতে পারবেন।
যখন ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনে নতুন ধারাটি যুক্ত করা হয়, তখন এর ফলে বিতর্ক শুরু হয়। সংসদে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এস আলমসহ বিতর্কিত ব্যবসায়ীদের হাতে ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ ফেরত দেওয়ার জন্যই এই ধারাটি সংযুক্ত করা হয়েছে।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য এখন কি সুযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে আজ সংসদে অর্থমন্ত্রী জানান, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ব্যক্তিগত আমানতকারীরা চলতি ও সঞ্চয়ী হিসাব থেকে সর্বাধিক দুই লাখ টাকা তুলতে পারবেন। বাকী অর্থ ধাপে ধাপে ফেরত দেওয়া হবে। বিশেষ মানবিক সুবিধার আওতায় ক্যানসার ও কিডনি ডায়ালাইসিস রোগী, হজ সঞ্চয়কারী এবং ডিপিএস গ্রাহকদের জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সময় বাজেট বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি বাজেটের সাফল্য তার ঘোষণায় নয়, বরং বাস্তবায়নে নিহিত। এর জন্য সরকার প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, জবাবদিহি ও বাস্তবায়ন দক্ষতা বৃদ্ধির উপর বিশেষ গুরুত্ব দেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন