প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ৫ হাজার ৮০৭ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাঠানোর কাজ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বুধবার এই বিষয়টি জানিয়েছেন সংস্থাটির এনআইডি শাখার কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, দেশটি থেকে মোট ১৬ হাজার ৭১৫ জন প্রবাসী এনআইডি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। এদের মধ্যে ১০ হাজার ৯৬৮ জনের আবেদন কমিশন দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। আর তাদের মধ্যে ৫ হাজার ৮০৭ জনের এনআইডি এখন প্রিন্ট করা হচ্ছে। এগুলো শিগগিরই দূতাবাসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে সরবরাহ করা হবে।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, ফ্লোরিডার মায়ামি ও ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে দূতাবাসের মাধ্যমে এনআইডি কার্যক্রম শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এ ক্ষেত্রে নিউইয়র্কে ৪ হাজার ১৭০ জন, ওয়াশিংটনে ৪৩০ জন, মায়ামিতে ৩৬৫ জন এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে ৪৪২ জনের এনআইডি পাঠানো হবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ও দুবাই; সৌদি আরবের রিয়াদ ও জেদ্দা; যুক্তরাজ্যের লন্ডন, ম্যানচেস্টার ও বার্মিংহাম; ইতালির রোম ও মিলান; কুয়েতের কুয়েত সিটি; কাতারের দোহা; মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর; অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা ও সিডনি; কানাডার অটোয়া ও টরন্টো; জাপানের টোকিও; যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, মায়ামি, ওয়াশিংটন ডিসি ও লস অ্যাঞ্জেলেস; মালদ্বীপের মালে; ওমানের মাসকাট; দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়া-সহ মোট ১৪টি দেশের ২৪টি স্টেশনে ভোটার তালিকা ও এনআইডি বিতরণের কার্যক্রম চলছে।
এ পর্যন্ত এই সমস্ত দেশের কাছ থেকে প্রায় এক লাখ আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ হাজার নাগরিক এনআইডি পেয়েছেন।
বিদেশে বসবাসকারী ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়ার জন্য কিছু তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক। আবেদনপত্র (ফরম-২(ক)) অনলাইনে পূরণ করা, মেয়াদযুক্ত বাংলাদেশি পাসপোর্ট অথবা মেয়াদহীন পাসপোর্ট, এনআইডিধারী তিন নাগরিকের প্রত্যয়ন, অনলাইন জন্মনিবন্ধন এবং পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।
এদিকে বিশেষ ৫৬টি উপজেলা/থানার (চট্টগ্রাম অঞ্চল) নাগরিকদের জন্য ‘বিশেষ তথ্য ফরম’ পূরণ, শিক্ষা সনদ, পিতা-মাতার এনআইডি, মৃত্যু সনদ (যদি মৃত হয়ে থাকে), ড্রাইভিং লাইসেন্স/টিআইএন (যদি প্রযোজ্য), কিছু দেশের ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ (যদি প্রযোজ্য), নিকাহনামা এবং স্বামী-স্ত্রীর এনআইডি (যদি প্রযোজ্য), নাগরিকত্ব সনদ (কাউন্সিলর, চেয়ারম্যান/মেয়র/সিইও কর্তৃক), ইউটিলিটি বিলের কপি (ভোটার এলাকার বিদ্যুৎ/পানি/গ্যাস বিলের কপি), ভাড়াটিয়ার ক্ষেত্রে বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র ও বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র জমা দিতে হবে।
বাধ্যতামূলক নয় এমন তথ্যগুলো নিবন্ধন কেন্দ্রে জমা দিতে অসমর্থ হলে প্রবাসী নাগরিকরা দেশে বসবাসকারী আত্মীয়দের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে পারেন।
যদি প্রবাসীরা সংশ্লিষ্ট দেশে বসে ভোটার হওয়ার ফরম পূরণ করেন এবং সব তথ্য সঠিক থাকে, তাহলে নির্বাচন কমিশন সেই ব্যক্তির উপজেলায় তদন্ত করে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করবে। তারপর তথ্যের সঠিকতা পাওয়া গেলে আবেদন অনুমোদন করে ওই প্রবাসীকে ভোটার করা হবে। একইসঙ্গে তার এনআইডি সংশ্লিষ্ট দূতাবাসে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন