প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তটি হাভানার ওপর ওয়াশিংটনের চাপকে আরও জোরদারের সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর ছেলে এবং নাতি। যদিও রাউল কাস্ত্রো বর্তমানে কোন সরকারি পদে নেই, তবে তিনি এখনও দ্বীপ রাষ্ট্রটিতে একটি প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-ক্যানাল, তার স্ত্রী এবং সৎপুত্রও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। একইসাথে কিউবার বিপ্লবী সশস্ত্র বাহিনী মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য কয়েকটি সংস্থার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
১৯৬২ সালের পর থেকে কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি কিউবার জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেন এবং দ্বীপটি দখলের হুমকি দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কিউবায় কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য একটি হুমকি সৃষ্টি করছে। ট্রাম্প এর আগেও বলেছেন যে, জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক নেতা নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুতি এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পর কিউবা হতে পারে পরবর্তী দেশ, যা ‘পতনের মুখে পড়তে পারে’।
বৃহস্পতিবার, সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছেন যে, তার প্রশাসন প্রথমে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সমস্যার সমাধানে মনোযোগ দিচ্ছে। এরপর তিনি কিউবার দিকে নজর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং সেখানে ‘একটি সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি’ করবেন বলে ইঙ্গিত করেছেন।
কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হত্যা মামলার পাশাপাশি কিউবার সামরিক সংস্থা এবং বর্তমান নেতৃত্বের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য দেশটির পতন ত্বরান্বিত করা বলে অভিযোগ করেছেন, যা তিনি অস্বীকার করেছেন।
গত বছর ওয়াশিংটন দিয়াজ-ক্যানালের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল, সে সময় তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন