প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার পর নেইমার জুনিয়র ইনজুরিতে পড়েছিলেন। তারপর থেকে আর তিনি মাঠে ফিরে আসতে পারেননি। বিশ্বকাপের স্কোয়াডে জায়গা পাওয়ার পরেও দুই ম্যাচ তিনি বেঞ্চে কাটাতে বাধ্য হন। তবে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে ৭৬ মিনিটে ম্যাথিউস কুনিয়ার পরিবর্তে যখন নেইমার মাঠে নেমে এলেন, তখন গ্যালারিতে শোরগোল এবং উল্লাস শুরু হলো।
দীর্ঘ পুনর্বাসন ও কঠোর লড়াইয়ের পর জাতীয় দলে তার প্রত্যাবর্তন ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
৯৮১ দিনের অপেক্ষার পর ব্রাজিলের জার্সিতে আবার খেললেন নেইমার। সর্বশেষ তিনি ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর উরুগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন।
সেই ম্যাচে ভয়াবহ হাঁটুর চোটের কারণে তাকে অনেকদিন মাঠের বাইরে কাটাতে হয়েছিল। একাধিক অস্ত্রোপচার এবং পুনর্বাসনের পর অবশেষে জাতীয় দলের হয়ে ফিরে আসলেন এই ফরোয়ার্ড।
নেইমারের প্রত্যাবর্তন একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলায় বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিখ্যাত ‘১০ নম্বর’ জার্সি পরে তার ম্যাচসংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ১৪-এ।
এটি কিংবদন্তি পেলে ও রিভাল্ডোর পাশে তাকে নিয়ে এসেছে, যারা এই জার্সি পরে ১৪টি করে ম্যাচ খেলেছেন। নেইমারের এই অর্জন তাকে ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের সেরা তারকাদের দলে আরও দৃঢ়ভাবে জায়গা করে দিয়েছে।
শুধু বিশ্বকাপের জন্য নয়, জাতীয় দলের ১০ নম্বর জার্সি পরে তিনি হাঁটছেন আরেকটি বড় রেকর্ডের কাছাকাছি। ব্রাজিলের হয়ে এই ঐতিহ্যবাহী জার্সি পরে তাঁর ম্যাচসংখ্যা এখন ৯৮।
এ ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছেন পেলে, যার রয়েছে ১০৫টি ম্যাচ। অর্থাৎ, শততম ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করার জন্য নেইমারকে আর মাত্র দুটি ম্যাচ খেলতে হবে।
যদিও এই ম্যাচে তিনি শুরু থেকেই একাদশে ছিলেন না, তবে কোচ আনচেলত্তি ম্যাচের আগে জানিয়েছিলেন যে নেইমার পুরোপুরি ফিট এবং প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফেরার জন্য প্রস্তুত।
এই আস্থা স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে প্রতিফলিত হয়েছে।
নেইমারের উপস্থিতি ব্রাজিলের আক্রমণে বাড়তি আত্মবিশ্বাস এনে দেয় এবং নকআউট পর্বের আগে দলে আরও শক্তি যোগাবে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
৯৮১ দিনের অপেক্ষা শেষে নেইমারের প্রত্যাবর্তন একজন ফুটবলারের মাঠে ফেরা ছাড়াও অধ্যবসায়, সংগ্রাম এবং প্রত্যাবর্তনের একটি অনন্য কাহিনি।
ব্রাজিলিয়ান সমর্থকরা এখন আশা করছেন, বিশ্বকাপের বাকি পথচলায় তাদের প্রিয় তারকা আবারও জাদুকরী ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছাতে সাহায্য করবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন