প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিল্লিতে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত জানার জন্য ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়ার বিষয়ক উইং।
সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কোনভাবেই প্রত্যাশিত নয়। ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক উইং। বিস্তারিত জানার পরই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এর আগে এ ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, দিল্লিতে বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনায় সরকার ব্যবস্থা নেবে।
জানা গেছে, দিল্লিতে আজ থেকে শুরু হওয়া ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) সম্মেলনে অংশ নেয়ার কথা ছিল ডা. জাহেদ উর রহমানের।
ওই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতা হিসেবে উপদেষ্টার অংশগ্রহণের বিষয়টি গত শুক্রবার (১২ জুন) দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিল। কিন্তু রোববার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাঁকে রহস্যজনক কারণে ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে। তাঁকে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে কি না, সে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়নি।
এমন পরিস্থিতিকে আত্মসম্মানে আঘাত হিসেবে দেখে তিনি পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে দেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন জাহেদ উর রহমান। তবে পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ দেখে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাঁকে বারবার ভারতে প্রবেশের অনুরোধ করলেও তিনি দেশে ফেরার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।
তার সফরের বিষয়টি কূটনৈতিক পত্রে আগাম অবহিত করা হয়েছিল। আগাম অবহিত করার পরেও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবহারের কারণে সোমবার দুপুরে দেশে ফিরে আসেন ডা. জাহেদ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন