প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মঠবাড়িয়ায় আইনজীবীরা আদালত বর্জন করেছেন, যেখানে উপজেলা বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বর্জন করা হয়। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে আইনজীবীরা ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত বর্জন করেন। পরে তারা আইনজীবী সমিতির সভা কক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেন। এ সময় আইনজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম সহ মোট ১৮ জন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।
বর্জনের কারণ হিসেবে আইনজীবীরা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত চলাকালীন সময়ে আইনজীবীদের সাথে অশোভন আচরণ, বিচারকের স্বেচ্ছাচারিতা, নির্ধারিত মামলার ক্ষেত্রে আইনানুগ নোটিশ ছাড়াই মামলা খারিজ করা, অকারণে সিনিয়র আইনজীবীদের চেম্বার থেকে ডেকে নেওয়া এবং আদেশের সইমহরী প্রদানে গড়িমসি সহ বেশ কিছু অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।
তবে এসবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউএনও আকলিমা আক্তার সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, আইনজীবীদের দাবি যে তার আচরণ অশোভনীয়, তা পুরোপুরি হয়রানি মূলক এবং মিথ্যা। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ও জুডিশিয়াল কোর্টের কাগজপত্রে যে আইনজীবীর সীল পাওয়া যাবে তাকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। যদি আইনজীবী সিনিয়র হন তবে জুনিয়রদের পাঠানো হতে পারে। তিনি সকল অভিযোগ ডিনাই করেছেন এবং বলেন, প্রতিবেদনগুলি নারাজি দিয়ে থাকে। তারা যদি চান, তাহলে প্রতিবেশীও আসতে পারে। তবে তারা এখানে সুযোগ নেওয়ার জন্য এ ধরনের কাজ করছেন।
এছাড়া, কর্মকর্তা আরও বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী পিছনের মামলাগুলো সঠিক নিয়ম মেনে নিষ্পত্তি করা হবে। আদেশের সইমহরী আবেদনের মাধ্যমেই জেলা থেকে সংগ্রহ করতে হবে। কিন্তু আইনজীবীরা তার কাছ থেকে নিতে চান, যা নিয়মবহির্ভূত। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আরও যোগ করেছেন যে, সরকারি খাল খননের সময় কিছু আইনজীবীর খালের জায়গা ছেড়ে দিতে হচ্ছে, তাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি করার জন্য তারা এ আচরণ করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন