ঢাকা শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিজরী
শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ইং ০২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩বাং

শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাস


শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে আহমাদুল্লাহর স্ট্যাটাস

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবি করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি একইসঙ্গে ইসলামের বিরুদ্ধে চলমান কাঠামোগত বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ড চিরতরে বন্ধ করার জন্যও আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (৫ মে) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ কথা জানান।

আহমাদুল্লাহ তার স্ট্যাটাসে বলেছেন, ৫ মের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত হোক এবং ইসলামের বিরুদ্ধে কাঠামোগত বিদ্বেষের পথ চিরতরে বন্ধ হোক।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনার সময়ে ডন সিন্ডিকেট সংস্কৃতি এতটা ছিল না: গোলাম মাওলা রনি

এদিকে, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতির তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে জানান, এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের তৎকালীন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই মামলায় শেখ হাসিনাকেই প্রধান আসামি করা হচ্ছে।

তদন্ত সংস্থা এই পুরো ঘটনাটিকে একটি অত্যন্ত পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং তদন্তের কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ শেষ হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ওপর তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত অনুযায়ী সারা দেশে ওই ঘটনায় ৫৮ জন নিহতের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে শুধু ঢাকাতেই ৩২ জনকে হত্যার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: ‘মারা গেলে আমার লাশ নড়াইলে নিও না’, বাবাকে আবেগঘন অনুরোধ মাশরাফি বিন মুর্তজার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুনের অভিযোগে মালিক জেলে, থানায় হাজির পোষা বানর ‘রাজা মিয়া’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


খুনের অভিযোগে মালিক জেলে, থানায় হাজির পোষা বানর ‘রাজা মিয়া’

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলোচিত অটোরিকশাচালক রাজীব হত্যার মামলার প্রধান আসামি গিয়াস উদ্দিন গেসুকে গ্রেপ্তারের পর এক ব্যতিক্রমী ঘটনা এলাকাবাসীর সামনে ধরা পড়ে। মালিককে হারিয়ে গিয়াসের পোষা বানর 'রাজা মিয়া' বর্তমানে থানার চত্বরে অবস্থান করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১ মে) রাতের দিকে অটোরিকশাচালক রাজীব নিখোঁজ হয়ে যায় এবং শনিবার ভোরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই গিয়াস উদ্দিন বানরসহ আত্মগোপন করে। এই হত্যাকাণ্ডে গিয়াসের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে নিহতের বাবা মো. মোস্তফা বাদী হয়ে রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যেখানে গিয়াসকে প্রধান আসামি করা হয়।

সোমবার (৪ মে) রাতে চাঁদপুর জেলার সদর উপজেলার ওয়্যারলেস এলাকা থেকে গিয়াস উদ্দিন গেসুকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় গিয়াস তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী বানর রাজা মিয়াকেও সঙ্গে নিয়ে থানায় আসে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গিয়াস উদ্দিন রাজা মিয়াকে কয়েক বছর ধরে লালন-পালন করছেন। বানরটি সবসময় তার কাঁধে বা তার সঙ্গেই থাকতো। কিন্তু মালিককে থানায় আটক করা হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে বানরটি অস্থির হয়ে গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজা মিয়া তার মালিককে থানার চত্বরে পাগলের মতো খুঁজে বেড়াচ্ছে। কখনো থানার বারান্দায়, কখনো পুকুরঘাটে ঘুরছে এবং অদ্ভুত শব্দে ডাকছে। আবার কখনো করুণ চোখে মানুষের দিকে তাকিয়ে থাকে। এমন অবস্থা দেখে থানায় আসা সাধারণ মানুষ ও পুলিশ সদস্যরাও আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ছেন।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, আসামিকে থানায় আনার কিছুক্ষণ পর পুকুরঘাট এলাকায় বানরটিকে দেখা যায়। এরপর থেকেই রাজা মিয়া থানার আশপাশে অবস্থান করছে। বিষয়টি বন বিভাগকে জানানো হয়েছে এবং তারা এসে বানরটিকে নিজেদের তত্ত্বাবধানে নেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে থানায় মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:৫৬ পি.এম


বগুড়ায় শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে থানায় মানববন্ধন, সড়ক অবরোধ

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় সাত বছর বয়সী এক শিশুর ধর্ষণের ঘটনায় প্রতিবাদে স্থানীয়রা থানাকে ঘেরাও করেছে এবং সড়ক অবরোধ করেছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরের দিকে বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের দুপচাঁচিয়া থানার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

সোমবার রাতে শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ইদ্রিস আলী (৬০) নামক এক ব্যক্তিকে আটক করে। দুপুরের প্রাক্কালে, আদালতে তাকে পাঠানোর আগে গ্রামবাসীরা এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করে।

এ সময় শিক্ষকেরা, অভিভাবক এবং স্থানীয় গ্রামবাসীরা অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

গ্রেফতার ইদ্রিস আলী নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার হলুদ বিহার এলাকার মৃত আক্কাস আলীর পুত্র। তিনি ব্র্যাকের দুপচাঁচিয়া শাখার সাবেক হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি ধাপ-সুখানগাড়ী মহল্লার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

পুলিশ এবং মামলার তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার স্বামীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে শিশুর উপর হামলা করেন। শিশুটি উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং একই এলাকার এক নারীর কাছে নিয়মিত প্রাইভেট পড়ত। ঘটনা ঘটার সময়, শিশুটি সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ওই নারীর কাছে পড়তে যায় কিন্তু গৃহশিক্ষকের অনুপস্থিতির সুযোগে তার স্বামী শিশুটিকে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানার পর শিশুর বাবা রাতেই থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের হওয়ার পর পুলিশ অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর তারা প্রতিবাদে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। দুপুরে স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকরা একত্র হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা প্রথমে থানায় গিয়ে ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে অবস্থান নেন এবং পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় চত্বরে গিয়ে জমায়েত হন। সকল শ্রেণীর লোকজন একত্রিত হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

এ বিষয়ে দুপচাঁচিয়া থানার ওসি তাজমিলুর রহমান জানান, শিশুর ধর্ষণ মামলার পরই আসামিকে দ্রুত আটক করা হয়েছে এবং আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উত্তেজিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিক্ষুব্ধরা অবরোধ তুলে নেওয়ায় সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টনারশিপে সমস্যার সমাধান হতে পারে: মাহদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্টনারশিপে সমস্যার সমাধান হতে পারে: মাহদী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শিক্ষা, শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন উল্লেখ করেছেন যে, পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে পার্টনারশিপের মাধ্যমে অনেক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

তিনি এই বক্তব্যটি মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানী ঢাকা শহরের বনানীতে একটি অনুষ্ঠানে প্রদান করেন।

মাহদী আমিন আরও বলেন, আমরা চাচ্ছি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার কাউন্সিলিং ও এক্সট্রাকারিকুলার এক্টিভিটিজ বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ডিং দিতে।

এছাড়া তিনি বলেন, যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চ শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থাকে করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা বাইরের দেশে স্কলারশিপ লাভ করতে সক্ষম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাঁচ দিনেও মর্গ থেকে মরদেহ গ্রহণ করেননি স্ত্রী-সন্তান, বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


পাঁচ দিনেও মর্গ থেকে মরদেহ গ্রহণ করেননি স্ত্রী-সন্তান, বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন

স্ত্রী এবং দুই পুত্র থাকার পরেও জীবনের শেষ সময়টি কাটল চরম অবহেলার মাঝে। মৃত্যুর পর বাবা খোকন মিয়ার নিথর দেহ নিতে মর্গে আসেননি তার সন্তানেরা। টানা পাঁচ দিন হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকার পর শেষে বেওয়ারিশ হিসেবেই দাফন করা হলো এই হতভাগা বাবার।

জানা গেছে, খোকন মিয়ার পৈতৃক বাড়ি লক্ষ্মীপুর হলেও শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের করুইন গ্রামে। স্ত্রী ও দুই ছেলে থাকার পরেও তাকে কাটাতে হয়েছে এই নিঃসঙ্গ এবং অবহেলিত জীবন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ মার্চ গুরুতর সংক্রমণ (সেলুলাইটিস) নিয়ে পুলিশ তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। দীর্ঘ ৩৮ দিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বেসরকারি সংগঠন বাতিঘরের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসক ও নার্সরা তার সেবায় নিঃস্বার্থভাবে চেষ্টা চালান। হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগের ইনচার্জ তাহমিনা আক্তারসহ সিনিয়র স্টাফ নার্সরা তাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য দিনরাত চেষ্টা করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মৃত্যুর আগে খোকন মিয়া স্পষ্টভাবে কথা বলতে সক্ষম ছিলেন না। তবে অস্পষ্ট কণ্ঠে কেবল নিজের নাম, বাবার নাম এবং কুমিল্লার একটি ঠিকানার কথা বলেন। সেই সূত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ডের মাধ্যমে পরিবারের সন্ধান পাওয়া যায়। যোগাযোগ করলে তার স্ত্রী নিলুফা আক্তার এবং দুই ছেলে রাজু ও রানা চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান। তারা মৃত্যু শয্যায় জানিয়ে দেন, মরদেহও তারা গ্রহণ করবেন না।

পরিবারের সদস্যরা স্পষ্টভাবে মরদেহ গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোয় মৃত্যুর পর পাঁচ দিন হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকে খোকন মিয়ার নিথর দেহ। যেন শেষবারের মতো অপেক্ষা করছিল, কেউ একজন আসবে! কিন্তু কেউ আসেনি।

পরবর্তীতে বাতিঘরের পক্ষ থেকে খোকন মিয়ার ছোট ছেলে রানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আর অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই, বাবার মরদেহ দাফন করে ফেলতে হবে। অথচ এর আগে রোববার (৩ মে) বাতিঘরের পক্ষ থেকে রানাকে রাজি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিল, যেন অন্তত শেষবারের মতো এসে বাবার মরদেহ গ্রহণ করে নিজ এলাকায় দাফনের ব্যবস্থা করেন। এ জন্য অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া থেকে শুরু করে কাফন-দাফনের সব ধরনের খরচ বহনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। প্রয়োজন ছিল শুধুমাত্র একজন সন্তানের শেষবারের মতো বাবার পাশে এসে দাঁড়ানোর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতিও রক্ষা হয়নি।

এর আগে শুক্রবার (১ মে) সকালে লাশ গ্রহণের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার পক্ষ থেকে কুমিল্লার দেবিদ্বার থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়। দেবিদ্বার থানার পুলিশ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানান, গত ১০-১২ বছর ধরে খোকন মিয়ার সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ নেই এবং তারা মরদেহ গ্রহণেও অঅনাগ্রহী।

আইনি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও মানবিকতার জায়গা থেকে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করা হয়েছিল। আশা ছিল, হয়তো শেষ মুহূর্তে রক্তের সম্পর্কের টান জেগে উঠবে। কিন্তু সেই আশাও শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায়। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে খোকন মিয়াকে ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী বেওয়ারিশ মরদেহ হিসেবে দাফন করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন বলেন, ‘আমরা মানবিকতার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, যেন অন্তত পরিবারের কেউ এসে শেষ বিদায় জানায়। অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া থেকে দাফনের সব ব্যয় বহনের প্রস্তাবও দিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেউ এগিয়ে আসেনি। এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের মরদেহ গ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাই আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হয়।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকীব উর রাজা বলেন, ‘কুমিল্লার দেবিদ্বার থানায় বেতার বার্তা পাঠানো হয়। পরে দেবিদ্বার থানার পুলিশ পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, তারা খোকন মিয়ার লাশ গ্রহণ করতে পারবেন না।’

বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘আইনগত ও মানবিক দুই দিক বিবেচনায় রেখে ব্যবস্থা নেয়া হয়। পরিবারের অনাগ্রহের কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের মাধ্যমে খোকন মিয়ার মরদেহ দাফন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৩০শে জ্বিলকদ, ১৪৪৭হিঃ
ফজর ০৩:৫২
জোহর ১১:৫৬
আসর ০৪:৩৩
মাগরিব ০৬:৩৪
ইশা ০৭:৫৩
সূর্যোদয় : ০৫:১৬ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%