প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নওগাঁর পত্নীতলা খাদ্য গুদামে ঘুষ বা অনৈতিক টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয় এক সাংবাদিক ও খাদ্য গুদামের কর্মকর্তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে দেখা যায় যে, পত্নীতলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা নিজের চেয়ারে বসে আছেন। তার ডান পাশে দাঁড়িয়ে টাকা গুনে দিচ্ছেন ওই কার্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর রুহুল আমীন। আর সেই টাকা গুনে নিচ্ছেন পত্নীতলায় কর্মরত সাংবাদিক মাহমুদুন্নবী। সেখানে মোট ৫ লাখ ৬ হাজার টাকা গুনে নেন ওই সাংবাদিক। টাকা গুনে নেয়ার একপর্যায়ে মাহমুদুন্নবী বলেন, ‘আমি গোড়া চল্লিশেক ভোটার আইডি ও ছবি দিচ্ছি, আমাকে চল্লিশটা কার্ড করে দেন।’ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা উত্তরে বলেন, ‘আমি কোথায় পাব।’ প্রতি উত্তরে মাহমুদুন্নবী বলেন, ‘ব্যবস্থা করে দেন।’ এ সময় পাশে থাকা গুদামের কর্মী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আপনি কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেন।’ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ওই খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ধান ঢোকানো হচ্ছে এমন অভিযোগ ওঠে। এই অনিয়ম নিয়ে সাংবাদিক মাহমুদুন্নবী একটি ওয়েব পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ করেন। অভিযোগ উঠেছে যেএই সংবাদের প্রথম পর্ব প্রচারের পর তা ধামাচাপা দিতেই খাদ্য কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা সাংবাদিককে অফিসে ডেকে ওই টাকা প্রদান করেন। তবে এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি অভিযুক্ত গুদাম কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা। অন্যদিকে ভিডিওর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সাংবাদিক মাহমুদুন্নবী বলেন, ‘আমি ধান বিক্রি করেছিলাম, তার টাকা গুদাম থেকে নিয়েছি।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন