প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার এবং অনলাইনে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সারকে শুক্রবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, দুপুর ০২:৪৬ পিএম-এ রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগ। এই ঘটনায় তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককেও আটক করা হয়েছে।
ডিবি সূত্র জানাচ্ছে, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার মনিটরিংয়ের সময় সুমাইয়ার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে বিভিন্ন আপত্তিকর কনটেন্ট এবং সেগুলো বিক্রির বিজ্ঞাপন তাদের নজরে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফি নিয়ে গ্রাহকদের কাছে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও বিক্রি করা হতো। এর মধ্যে সাড়ে তিন হাজার টাকায় ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ দেওয়ার বিজ্ঞাপনও প্রকাশ হয়েছিল বলে জানা গেছে।
পরে প্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সুমাইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার ব্যবহৃত একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স এবং একটি ওয়ানপ্লাস স্মার্টফোনও জব্দ করা হয়।
এরপর সুমাইয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ নামের প্রতিষ্ঠান থেকে তার প্রধান সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, সুমাইয়া বেশ কিছু সহযোগী নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের দাবী, মেয়ের এসব কার্যক্রম জানার পরও তাতে কোনও বাধা না দেওয়া এবং ওই কার্যক্রম থেকে পাওয়া অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং পলাতক অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন