প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রথম ম্যাচ হেরে সফরকারী বাংলাদেশ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে। সিরিজে টিকে থাকার জন্য টাইগারদের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ আবার জিম্বাবুরের মুখোমুখি হবে।
বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি শুরু হবে।
ফেভারিট হিসেবে জিম্বাবুয়ে সফর শুরু করে, একমাত্র টেস্ট ইনিংসে ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে বাংলাদেশকে পরাজিত করে। এরপর, টাইগাররা তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজও ২-১ ব্যবধানে হারায়।
জিম্বাবুয়ে সফরে সিরিজ জয়ের শেষ সুযোগ হিসেবে এরকম কোনো কিছু ছিল না, তাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট ছিল বাংলাদেশ দলের সামনে। কিন্তু সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩২ রানে হেরে গেছে তাওহিদ হৃদয়ের দল।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিও হারলে এবারের জিম্বাবুয়ে সফরে বাংলাদেশ তিন ফরম্যাটেই সিরিজ হারের লজ্জার সম্মুখীন হবে, যা জিম্বাবুয়ে মাটিতে বাংলাদেশের জন্য হতাশাজনক অধ্যায় হয়ে থাকবে। তবে বাংলাদেশ আগের ম্যাচে ব্যর্থতাকে ভুলে গিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৭১ রানের টার্গেট স্পর্শ করার জন্য ৫ উইকেটে ১৩০ রান তুলে বাংলাদেশ জয়ের লড়াইয়ে ছিল। এরপর মাত্র ১৪ বল ও ৮ রান ব্যবধানে পরপর ৫ উইকেট পতনের মাধ্যমে টাইগাররা পরাজয় বরণ করে।
চার বছরের বিরতির পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরে ৩৮ বলে ৫৪ রানের একটি ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন মিডল অর্ডার ব্যাটার ইয়াসির আলি। ইয়াসিরের আউট হওয়ার পর বাংলাদেশ দলটি ১৯ ওভারে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলটির হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান করেন মাহেদি হাসান।
এর আগে বল হাতে নাহিদ রানা আলো ছড়িয়েছেন। তিনি ৪ ওভারে ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করেছেন। কিন্তু এরপরেও ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রানের সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে।
‘ডু অর ডাই’ ম্যাচের আগে বাংলাদেশের সিনিয়র সহকারী কোच মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, ‘আমরা প্রতি ম্যাচই জয়লাভের জন্য খেলতে নামি। কিন্তু আমাদের ব্যাটারদের নির্দিষ্ট কিছু বোলারের বিরুদ্ধে আরও কৌশলগত উন্নতি করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বারবার একই ভুল করছি। কিন্তু ভুল করার পরেও আমরা তা থেকে কিছু শিখছি না। আমাদের situasi সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে।’
দলে একটি পরিবর্তন আনতে পারে বাংলাদেশ সিরিজে সমতা ফেরানোর মিশনে। অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত একাদশে সুযোগ পেতে পারেন।
অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়া একাদশ নিয়েই মাঠে নেমে থাকতে পারে জিম্বাবুয়ে। যদি তারা জয় পায়, তবে এক ম্যাচ পুরনো হয়ে টুর্নামেন্টের টি-টোয়েন্টি সিরিজটি জিতে যেতে সক্ষম থাকতে পারে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে কেবল একবার টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল, ২০২২ সালে ঘরের মাঠে হওয়া তিন ম্যাচের সিরিজটি তারা ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করে।
টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের পাল্লা ভারী। বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচ খেলে ১৭টিতে জয়লাভ করেছে, অপরদিকে ৯টিতে পরাজিত হয়েছে টাইগাররা।
বাংলাদেশ দল : তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইয়াসির আলী চৌধুরী, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, সাইফুদ্দিন, আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
জিম্বাবুয়ে দল : সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, বেন কারান, ব্র্যাড ইভান্স, ক্লাইভ মাদান্ডে, টিনোতেন্ডা মাপোসা, তাদিওয়ানাশে মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া, ব্লেসিং মুজারাবানি, ডিয়ন মায়ার্স, রিচার্ড এনগারাভা, নিউম্যান নিয়ামহুরি, মিল্টন শুম্বা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন