০১:১৩ এম
শরীয়তপুরে স্বামীর হত্যার পর মরদেহ খণ্ডিত করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগে এক গৃহবধূকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে শরীয়তপুর পৌর এলাকার পালং উচ্চবিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকা থেকে আসমা আক্তার নামের ওই নারীকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের কারণে গত মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে, আসমা আক্তার পাশে থাকা একটি লোহার টুকরা দিয়ে তার স্বামী জিয়া সরদারের মাথায় আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই জিয়া সরদারের মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে।
পরে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে দেহ খণ্ডিত করার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ জানায়, মরদেহের হাত-পা আলাদা করে একটি বস্তায় ভরে নড়িয়া উপজেলার নদীর পাড়ে ফেলে দেওয়া হয়। এছাড়া, মাথাসহ শরীরের অন্যান্য অংশ সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুরপাড়ে ফেলে রাখা হয়।
আরও পড়ুন: টেকনাফ উপকূলে ৭ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি
পুলিশের ভাষ্য, দেহের কিছু অংশ আলাদা করে আরেকটি বস্তায় ভরে পালং উচ্চবিদ্যালয়সংলগ্ন একটি বাড়ির ফ্রিজে রাখার চেষ্টাকালে বাড়ির লোকজনের সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯–এ ফোন করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসমা আক্তারকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আটং বৃক্ষতলা এলাকার একটি পুকুরপাড় থেকে মরদেহের বাকি অংশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বিকেলে, নড়িয়া উপজেলার মূলফৎগঞ্জ এলাকায় নদীর পাড় থেকে দুটি হাত ও দুটি পা উদ্ধার করা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসমা আক্তার স্বামীকে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন: রোকনপুর সীমান্তে নারীকে পুশ-ইন-এর চেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন