প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠকে বসছেন। তারা দুজনেই জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে ফ্রান্সে যাবেন। হোয়াইট হাউজ নিশ্চিত করেছে যে সেখানে তারা দুজন আলাদাভাবে বৈঠক করবেন।
ওই বৈঠকটি আগামী বুধবার (১৭ জুন) অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প সরকারের একজন কর্মকর্তা গতকাল শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প জি-৭ ভুক্ত দেশের নেতাদের সঙ্গে হরমুজ প্রণালি সংক্রান্ত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করবেন।
এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপি জানায়, ট্রাম্প জি-৭ সম্মেলনে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে পাতা মাইন অপসারণের পরিকল্পনা বিষয়েও আলোচনা করতে পারেন। ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জানিয়েছে যে তাদের আগ্রহ রয়েছে সংঘাত সাময়িকভাবে বন্ধ হলে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিরাপদ করতে সহায়তা করতে।
ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে একটি ‘চমৎকার সমঝোতা’ হয়েছে, যা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে চলমান উত্তেজনার অবসান ঘটাতে পারে। চুক্তি সম্পন্ন হলে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি আবারও পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে।
এ প্রসঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। এর আগে ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা, বিশেষ করে খারগ দ্বীপে সামরিক হামলার পরিকল্পনা স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি জানান, ইরান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দেশের নেতাদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার ফলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধ বহাল থাকবে।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। সংঘাতের কারণে এই পথের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে গেছে। যদিও অনেক দেশ জ্বালানির বাড়তি খরচ ভোক্তাদের ওপর চাপাচ্ছে তবে ভারত দীর্ঘ সময় ধরে অভ্যন্তরীণ জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রেখেছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, হরমুজ সংকটের প্রথম ৭৬ দিন পর্যন্ত ভারত ছিল বড় অর্থনীতির একমাত্র দেশ, যারা জ্বালানির দাম বাড়ায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন