প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টানা বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম।
রোববার (১২ জুলাই) ডিএনসিসির জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনি নগরবাসীর সহযোহিতা চান।
ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকা ও রাস্তায় জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ড্রেন পরিষ্কারের জন্য নগরবাসীর প্রতি সহযোহিতার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টার অতিভারি বর্ষণের কারণে উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন মিরপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, গুলশান, বনানীসহ বিভিন্ন জায়গায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অতিবৃষ্টির ফলে স্বাভাবিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ায় কিছু কিছু জায়গায় পানি জমে মানুষের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, আপনারা যার যার অবস্থান থেকে নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধ পরিস্থিতির খোঁজখবর নেবেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন। কোথাও কোনো জরুরি সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট টিমকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করছি।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, উত্তর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ড্রেন, নালা ও পানি নিষ্কাশনের পথগুলো সচল রাখতে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। যেসব এলাকায় পানি জমে আছে, সেখান থেকে দ্রুত পানি অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল এবং যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। ওয়াটার পাম্পগুলো সচল রাখা হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন।
তিনি বলেন, অতিবৃষ্টির সময়ে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—স্বল্প সময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, নগরায়ণের ফলে পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া, অনেক স্থানে ড্রেন ও খাল ভরাট বা সংকুচিত হয়ে যাওয়া, অপরিকল্পিত বর্জ্য ফেলার কারণে পানি চলাচলের পথ বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং দীর্ঘদিনের পুরনো ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সংকট সৃষ্টি করা।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ডিএনসিসি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের লক্ষ্যে খাল পুনরুদ্ধার, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নিয়মিত খাল ও নালা পরিষ্কার এবং আধুনিক পানি ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তবে আকস্মিক অতিভারী বৃষ্টির মতো প্রাকৃতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে একটি পরিচ্ছন্ন, জলাবদ্ধতামুক্ত ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে কাজ করছি। জনগণের ভোগান্তি কমানোই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন