প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার-হেমায়েতপুর অংশে ময়লার ভাগাড় অপসারণ, দুর্গন্ধমুক্তকরণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলমান ছিল, এখন এটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রায় দুই দশক ধরে এ পথে চলাচলকারী মানুষ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য যে দুর্ভোগ ছিল, সেটির অবসান ঘটাতে এবং এলাকাটিকে দৃষ্টিনন্দন ও পরিবেশবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম সরেজমিনে মহাসড়কের পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পরে, প্রতিমন্ত্রী জানালেন, প্রধানমন্ত্রী খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সৌন্দর্যবর্ধিত এ সড়কের উদ্বোধন করবেন।
এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, মহাসড়কের পাশে থাকা ময়লার ভাগাড়ের নির্দিষ্ট স্থানে বালি ও মাটি ফেলে জমি প্রস্তুত করা হয়েছে। এরপর সেখানে নারিকেল, সুপারি ও নিমসহ বিভিন্ন গাছ রোপণ করা হয়ে থাকে।
মাটি ধরে রাখতে বিশেষ ধরনের ঘাস লাগানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং অননুমোদিতভাবে বর্জ্য ফেলা বন্ধে মহাসড়কের পাশে শক্তিশালী নেটের বেড়া দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পরিদর্শনের পরে বলেন, 'এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক দিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। দীর্ঘ দুই দশক ধরে তাদের দুর্গন্ধ ও ময়লার দুর্ভোগ সহ্য করে যাতায়াত করতে হয়েছে। তবে খুব দ্রুতই এখানে আবর্জনার পরিবর্তে দৃষ্টিনন্দন বৃক্ষ ও সবুজ পরিবেশ দেখতে পাবেন যাত্রীরা।'
ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, 'আমরা এখানে ল্যান্ডফিল ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করেছি। নির্ধারিত ল্যান্ডফিলের বাইরে মহাসড়কে কেউ ময়লা ফেললে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
তিনি জানান, সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ সম্পন্ন হলে এখানে দুটি উইন্ডমিল স্থাপন করা হবে। এসব উইন্ডমিল থেকে উৎপাদিত নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ দিয়ে প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কের বাতি জ্বালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগার এবং দুর্গন্ধের কারণে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর মহাসড়কের এ অংশটি যাত্রী ও স্থানীয়দের জন্য ছিল চরম দুর্ভোগের কারণ।
সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা, সবুজায়ন এবং সৌন্দর্যবর্ধনের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে, সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, গুরুত্বপূর্ণ এ মহাসড়কটি একটি পরিচ্ছন্ন, দৃষ্টিনন্দন এবং পরিবেশবান্ধব সড়কে রূপ গ্রহণ করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন