প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দীর্ঘ সময় রিলস দেখার পরেও ফোনের চার্জ তুলনামূলক বেশি সময় ধরে রাখা সম্ভব।
বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ দিনলিপিতে অনেকটা সময় কাটান রিলস, শর্ট ভিডিও অথবা লাইভ কনটেন্ট দেখে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব শর্টস কিংবা টিকটকসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে একের পর এক ভিডিও দেখতে দেখতে কখন যে ফোনের ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যায়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তবে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে ফোনের চার্জ তুলনামূলক বেশি সময় ধরে রাখা যেতে পারে।
আসুন জনে নেওয়া যাক-
১. প্রথমে স্ক্রিনের উজ্জ্বলতার দিকে নজর দিতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফোনের ডিসপ্লেই সবচেয়ে বেশি ব্যাটারি নষ্ট করে। তাই প্রয়োজন না হলে ব্রাইটনেস সর্বোচ্চ পর্যায়ে না রেখে অটো ব্রাইটনেস বা মাঝামাঝি পর্যায়ে ব্যবহারে সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।
২. রিলস দেখার সময় অনেকেই মোবাইল ডাটা, ব্লুটুথ, জিপিএস এবং ওয়াই-ফাই সবকিছু একসঙ্গে চালু রাখেন। তবে যেসব ফিচার ব্যবহার করছেন না, সেগুলো বন্ধ করলে ব্যাটারির ওপর চাপ কমে। বিশেষ করে লোকেশন সার্ভিস এবং ব্লুটুথ অপ্রয়োজনীয়ভাবে চালু থাকলে চার্জ দ্রুত কমে যেতে পারে।
৩. এছাড়া, ফোনের ব্যাটারি সেভার অথবা পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করাও কার্যকর উপায়। বর্তমানে প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোনে এমন সুবিধা বিদ্যমান, যা ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপের কার্যক্রম সীমিত করে ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে সহায়তা করে।
৪. পাশাপাশি, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো বন্ধ রাখা উচিত। অনেক সময় একাধিক অ্যাপ একসঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করে, যার ফলে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। নিয়মিত অ্যাপ আপডেট করলেও ব্যাটারির কর্মক্ষমতা ভালো থাকে, কারণ নতুন আপডেটে অনেক ক্ষেত্রে পাওয়ার অপটিমাইজেশনের সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।
৫. ভিডিও দেখার সময় স্পিকারের পরিবর্তে তারযুক্ত ইয়ারফোন ব্যবহার করলে কিছুটা চার্জ সাশ্রয় করা যেতে পারে। একই সঙ্গে ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে কিছু সময় বিরতি দেওয়া ভালো। অতিরিক্ত তাপ ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যাটারির স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত করে।”
স্মার্টফোন এখন বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। তবে কয়েকটি ছোট অভ্যাস পরিবর্তন করে সারাক্ষণ রিলস দেখার পরও ফোনের চার্জ অনেকটা বেশি সময় ধরে রাখা সম্ভব। এতে যেমন বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা কমবে, তেমনি ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্বও বজায় থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন