প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সম্প্রতি বরখাস্ত হওয়া মিখাইলো ফেদোরভকে ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো তার উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছেন। শনিবার ইতালির দৈনিক 'লা রিপুবলিকা'তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্রোসেত্তো এ তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি এ বিষয়ে জানান, ফেদোরভকে বরখাস্ত করার পরদিন তিনি ফোন করেছিলেন। ক্রোসেত্তোর দৃষ্টিকোণ থেকে, 'আমি তাকে বলেছিলাম, তুমি কবে রোমে এসে আমার উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করতে চাও?' ফেদোরভ এই প্রস্তাবে কী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন—এমন একটি প্রশ্নের জবাবে ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, সাবেক ইউক্রেনীয় মন্ত্রী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন। তিনি বলেন, ফেদোরভ এই প্রস্তাবকে সম্মান ও বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে দেখেছেন।
অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে, সাক্ষাৎকারে গুইদো ক্রোসেত্তো বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধে ফেদোরভের ভূমিকার প্রশংসা করা উচিত। তিনি জানান, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে যুদ্ধের কৌশলে বড় পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছেন ফেদোরভ। ক্রোসেত্তোর মতে, ফেদোরভ এমন কয়েকজন মানুষের একজন, যারা আধুনিক যুদ্ধের ধরণাকে পরিবর্তন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের শুরুতে নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে রাশিয়ার হামলা প্রতিরোধে ইউক্রেনকে ফেদোরভ সহায়তা করেছিলেন। পরে একই কৌশলের মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে ইউক্রেনকে আবারও উদ্যোগ ফিরে পেতে সাহায্য করেছেলেন।
৩৫ বছর বয়সী মিখাইলো ফেদোরভ প্রযুক্তি খাতে দক্ষ এবং সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবে পরিচিত। তার সমর্থকদের মতে, ইউক্রেনের ড্রোন সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিরক্ষা খাতে আধুনিক সংস্কার এগিয়ে নিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। চলতি মাসে ইউক্রেন সরকার ফেদোরভকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেয়।
এই সিদ্ধান্তের পর দেশটিতে যুদ্ধ চলাকালে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। পরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোডিমির জেলেনস্কি তাকে সরকারের অন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার প্রস্তাব দেন।
তবে ফেদোরভ সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং তিনি স্পষ্ট করে জানান, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়া সরকারের অন্য কোনো দায়িত্ব তিনি গ্রহণ করবেন না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন