প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নদ-নদীর পানি বেড়ে দেশের উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনার আভাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) কেন্দ্রের তথ্য জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরের তিস্তা নদীর পানি সমতল বেড়েছে। তবে ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি সমতল কমেছে। এসব নদীর পানি সমতল আগামী তিন দিন বাড়তে পারে।
তাহলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদী নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার কিছু কিছু স্থানে সতর্কসীমার মধ্যে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বুলেটিনে বলা হয়েছে, পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের মাতামুহুরী নদীর পানি সমতল বেড়েছে। অপরদিকে গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও সাঙ্গু নদীর পানি সমতল কমেছে। এসব নদীর পানি সমতল আগামী তিন দিন বাড়তে পারে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল কমেছে, যা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং পরবর্তী দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে, যা আগামী দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তবে পরবর্তী তিন দিনে পানি বাড়লেও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল কমেছে, যা আগামী তিন দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে ঝাড়খণ্ড ও এর কাছাকাছি গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে এগিয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম বিভাগের নদ-নদীর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মাতামুহুরীর পানি বেড়েছে। বিপরীতে, গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও সাঙ্গু নদীর পানি কমেছে। তবে আগামী তিন দিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
এছাড়া ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর দুই দিন পানি স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী দুই দিন এ অবস্থা বজায় থাকতে পারে। পরে পরবর্তী তিন দিনে পানি বাড়তে পারে। তবে এ সময়েও নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীগুলোর পানিও গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী তিন দিন এ প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন