প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিমোন, চ্যাম্পিয়ন স্পেনের গোলরক্ষক, ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপের গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন। পুরো বিশ্বকাপের সময় অসাধারণ পারফরমেন্সের জন্য তিনি এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। সিমোন মাত্র ১টি গোল হজম করেছেন।
কোয়ার্টার ফাইনালে যেখানে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে স্পেন ২-১ গোলে জয় পেয়েছিল, সেই ম্যাচে তিনি একমাত্র গোল হজম করেছেন। এবারের বিশ্বকাপে সিমনকে প্রথম গোল হজমের অভিজ্ঞতা দেন বেলজিয়ামের শার্ল ডি কেটেলিয়ার।
সিমোনের অসাধারণ পারফরমেন্সের কারণে স্পেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে চ্যাম্পিয়ন দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম গোল হজম করার নতুন রেকর্ড গড়তে সক্ষম হয়েছে।
এছাড়া, গোলরক্ষক হিসেবে সিমোন বিশ্বকাপে একটি বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করেছেন। ৬৪৯ মিনিট ধরে গোল হজম না করার বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন তিনি। ২০২২ বিশ্বকাপে জাপানের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর এবারের বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের ম্যাচের আগে পর্যন্ত তিনি গোল হজম করেননি।
পূর্বে ফিফা বিশ্বকাপে দীর্ঘ সময় গোল হজম না করার রেকর্ডটি ছিল ইতালির গোলরক্ষক ওয়াল্টার জেঙ্গারের দখলে, যিনি ৫১৭ মিনিট ধরে কোনো গোল হজম করেননি।
সিমোন স্পেনের ফুটবল ইতিহাসে নতুন কীর্তি স্থাপন করেছেন। বিশ্বকাপে তিনি স্পেনের হয়ে সবচেয়ে বেশি সময় গোল হজম না করার রেকর্ডটি ভেঙেছেন। কিংবদন্তি গোলরক্ষক ও সাবেক অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াসের রেকর্ড ছিল ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে ৪৭৭ মিনিট গোল হজম না করা।
এবারের বিশ্বকাপে সিমোন সাতটি ম্যাচে গোল হজম করেননি। এই দুর্দান্ত পারফরমেন্সের জন্য তিনি গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন। ক্যাসিয়াসের পরে স্পেনের দ্বিতীয় গোলরক্ষক হিসেবে গোল্ডেন গ্লাভস অর্জন করেছেন তিনি। ২০১০ সালে সারা বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছিলেন ক্যাসিয়াস।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে গোল্ডেন গ্লাভস জয়ী গোলরক্ষক (১৯৯৪ সালের পর শুরু হয়):
১৯৯৪: মাইকেল প্রিউড'হোমে (বেলজিয়াম)
১৯৯৮: ফ্যাবিয়ান বার্থেজ (ফ্রান্স)
২০০২: ওলিভার কান (জার্মানি)
২০০৬: জিয়ানলুইজি বুফন (ইতালি)
২০১০: ইকার ক্যাসিয়াস (স্পেন)
২০১৪: ম্যানুয়েল নয়্যার (জার্মানি)
২০১৮: থিবো কোর্তোয়া (বেলজিয়াম)
২০২২: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা)
২০২৬: উনাই সিমন (স্পেন)
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন