প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য পাঁচ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক।
এই প্রস্তাবনাগুলি রবিবার অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে তুলে ধরা হয়।
চেম্বার সভাপতির অন্যান্য প্রস্তাবগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, বিমানবন্দরের কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা, বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্য ৪০ শতাংশ রেয়াতি ট্যারিফ নির্ধারণ করা, লং রুট ফ্লাইটের বিরতির সময় যাত্রীদের নেওয়া ও নামানোর সুবিধা প্রদানসহ সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দূরযাত্রার ফ্লাইটের জন্য ট্রানজিট এবং রিফুয়েলিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এ সবের জন্য বাজেট বরাদ্দের অনুরোধ করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয়, ব্যবসায়ীরা পিপিপি, বিওও বা বিওওটি পদ্ধতির আওতায় অবকাঠামো সুবিধা নির্মাণে সক্ষম এবং আগ্রহী বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি উল্লেখ করেন, বৃহৎ পাইকারি বাজার, একাধিক বৃহৎ রফতানি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ দেশের অধিকাংশ শিল্প-কারখানা এই অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ার কারণে চট্টগ্রাম দেশের খুবই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে পরিগণিত।
কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রায় সকল অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থাকার পরও চলমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের দিক থেকে দেখলে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ সক্ষমতার ব্যবহার আজ পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়নি।
চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সক্ষমতায় অতিরিক্ত যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের পাশাপাশি ট্রানজিট এবং কানেক্টিং ট্রাফিক আকর্ষণের ব্যাপক সুযোগ এই বিমানবন্দরের রয়েছে। ঢাকাকেন্দ্রিক অ্যাভিয়েশন ট্রাফিকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও চাপ কমানোর পাশাপাশি, চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে ইস্ট-ওয়েস্ট অ্যাভিয়েশন, ট্যুরিজম এবং লজিস্টিক গেটওয়ে হিসেবে পরিণত করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন