প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে জেলার কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়ে ১৭৯ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।
শুক্রবার কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করে বাসস’কে জানান, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে ১৭৯ মেগাওয়াট।
এরমধ্যে ১নং ইউনিটে উৎপাদন হচ্ছে ৪২ মেগাওয়াট, ২নং ইউনিটে ৪২ মেগাওয়াট, ৩নং ইউনিটে ৩৫ মেগাওয়াট, ৪নং ইউনিটে ৩০ মেগাওয়াট এবং ৫নং ইউনিটে ৩০ মেগাওয়াট, ফলে মোট উৎপাদন ১৭৯ মেগাওয়াট পৌঁছেছে।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির ফলে কাপ্তাই লেকে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্রে উৎপাদন বেড়েছে।
পানি সংকটের কারণে দীর্ঘ ৩ মাস যাবৎ সচল থাকার পরও কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট একসাথে চালু করা সম্ভব হয়নি, ফলে ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কেন্দ্রে উৎপাদন সর্বশেষ ৯৬ মেগাওয়াটে নেমে আসে।
তবে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে কাপ্তাই লেকের পানি বেড়ে গিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরে টানা বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে জেলার কাপ্তাই লেকে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের উৎপাদন বেড়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, এ সময়ে রুলকার্ভ অনুযায়ী লেকে পানির স্তর থাকার কথা ৯০ দশমিক ৩১ ফুট মিন সী লেভেল (এমএসএল)। তবে বর্তমানে লেকের পানির স্তর ৮৫ দশমিক ৪৪ ফুট এমএসএল। লেকে সর্বাধিক পানি ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
উল্লেখ্য, ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন সম্পূর্ণ প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। কাপ্তাই লেকের পানি বেড়ে গেলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট এক সাথে চালু হলে ২৩০ থেকে ২৪২ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়ে থাকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন