প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটির এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত মনোয়ার হাসান, যিনি ওরফে লেদু হাসান হিসেবে পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, লেদু 'মূল হামলাকারী পারভেজের' কাছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন। গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন র্যাব-২-এর অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান। তিনি বলেছেন, মঙ্গলবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানের মাধ্যমে লেদুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় মোট ৩২টি মামলা রয়েছে।
অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল আরও জানান, ১ জুলাই রাজধানীর আদাবর থানার নবোদয় হাউজিং এলাকায় জাপান ও ব্রাজিলের মধ্যে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ছুরিকাঘাতে মারা যান নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা। এই হত্যায় লেদু অন্যতম অভিযুক্ত। মামলা সংক্রান্ত গ্রেপ্তার হওয়া কয়েকজন আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে উঠে এসেছে যে, লেদুই মূল হামলাকারী পারভেজের কাছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন।
নয়মুল জানিয়েছেন, পিসিপিআর যাচাইয়ে দেখা গেছে, লেদুর বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও দারুস সালাম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, বিস্ফোরকদ্রব্য আইন, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া ২০১০ সালের আলোচিত ওহিদুজ্জামান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং ২০১২ সাল পর্যন্ত কারাগারে ছিলেন।
২০২১ সালে লেদুকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, গুলি সহ র্যাব-৪ গ্রেপ্তার করে। একটি অস্ত্র মামলায় তাঁর ১০ বছরের কারাদণ্ডও হয়েছে বলে জানান এই র্যাব কর্মকর্তা। তিনি আরো উল্লেখ করেছেন যে, স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে লেদুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং কিশোর গ্যাং পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ করে আসছিলেন। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন