প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামায়াতে ইসলামী, যারা বাংলাদেশকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে মন্তব্য করেছে যে তিনি এটি চাননি। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন এই মন্তব্য করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত আয়াসের পেছনে জামায়াতের আমিরের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরের হাত রয়েছে। রাশেদ খাঁন রবিবার (১১ অক্টোবর) তার ফেসবুক পোস্টে এসব কথা উল্লেখ করেন।
পোস্টে এনসিপির পক্ষ থেকে আয়াসের জন্য সহানুভূতি প্রকাশ করা হয়েছে, তবে জামায়াত সরাসরি আয়াসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে তিনি জানান। রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, আসলে আয়াস কে এবং তাকে পরিচালনা করছে কে।
রাশেদ খাঁনের দাবি, ময়মনসিংহের উজ্জ্বল ঢাকায় এসে নাম, চুলের ধরন ও চেহারায় কিছু পরিবর্তন এনে জুলাই যোদ্ধা আয়াস পরিচয়ে সামনে এসেছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বে প্রতারণার মামলা ছিল এবং সে মামলায় তিনি জেলও খেটেছেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি জানান, মামলাটি এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
রবিবার আয়াসকে প্রিজন ভ্যান থেকে তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে লগইন করে সব তথ্য মুছে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার কথা শোনা গেছে। রাশেদ খাঁন প্রশ্ন করেন, তার হোয়াটসঅ্যাপে আসলে কী রয়েছে।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার জন্য আয়াসকে চুনকালি কেনার টাকা দিয়েছেন জামায়াতের আমিরের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। তিনি দাবি করেন, বিতর্কিত সংগঠন ও কর্মকাণ্ডকে অর্থ ও পরামর্শ দিয়ে এই আইনজীবী পৃষ্ঠপোষকতা করছেন।
রাশেদ খাঁনের অভিযোগ, ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবিরকে রক্ষা করার জন্যই আয়াসকে হোয়াটসঅ্যাপের তথ্য মুছে ফেলতে বলা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন