প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদিনহো সর্বশেষ ২০১৫ সালে ফ্লুমিনেন্সের হয়ে পেশাদার ফুটবল খেলেছিলেন। তবে ফুটবল থেকে বিদায় নেওয়ার এক যুগেরও বেশি সময় পরে তিনি আবারও অবসর ভেঙে ইতালির তৃতীয় বিভাগের ক্লাব রাভেন্না এফসিতে যোগ দিয়েছেন।
বুধবার (২৪ জুন) বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে রাভেন্না এফসির সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি প্রকাশ করেছে।
এমিলিয়া-রোমাগনা অঞ্চলে অবস্থিত ছোট্ট শহর রাভেন্নার এই ক্লাবটি আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে বিশেষভাবে পরিচিত নয়। ক্লাবটির স্টেডিয়ামটি মাত্র ১২ হাজার দর্শক ধারণ সক্ষম। তারা সিরি সি-তে খেলে।
তবে রোনালদিনহোর আগমনে ক্লাবটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়ে গেছে। রাভেন্নার মালিক ইগ্নাজিও চিপ্রিয়ানি ২০২৪ সালে ক্লাবটি সিরি আ-তে তোলার স্বপ্ন নিয়ে কিনেছিলেন। তার কাছে রোনালদিনহো শুধুই একজন ফুটবলার নন, বরং শৈশবের অনুপ্রেরণা।
চিপ্রিয়ানি বিশ্বাস করেন, ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির উপস্থিতি ক্লাবের জনপ্রিয়তা ও পরিচিতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে।
এদিকে, রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদিনহো জানিয়েছেন, বহু বছরের বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই এই সুযোগ এসেছে এবং তিনি নতুন এই যাত্রা নিয়ে ভীষণ আনন্দিত। তিনি আশা করেন, তার এই সিদ্ধান্ত অন্যদেরও নিজেদের স্বপ্ন পূরণে অনুপ্রাণিত করবে।
রাভেন্নায় যোগ দেওয়ার বিষয়ে রোনালদিনহো বলেছেন, চিপ্রিয়ানি পরিবারের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বের ধারাবাহিকতায় এই সুযোগটি এসেছে। তিনি ভীষণ আনন্দিত এবং আশা করছেন সবকিছু ভালোভাবেই এগোবে।
তিনি আরও জানান, তারা বহু বছরের বন্ধু। সুতরাং পুরো বিষয়টি ছিল খুবই সহজ, সরাসরি এবং স্বাভাবিক। তারা দুজনই চান রাভেন্না সফল হোক এবং ক্লাবের সবকিছু ভালোভাবে এগিয়ে যাক। তাদের চিন্তাভাবনাও অনেকটাই একই রকম। এই কারণেই তারা একসাথে এই পথচলা শুরু করেছেন।
তবে রোনালদিনহো নিয়মিত খেলবেন কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তার ভূমিকার একটি বড় অংশ ক্লাবের প্রচারণা ও ব্র্যান্ডিংয়ের দায়িত্ব হতে পারে। যদিও ক্লাব কর্তৃপক্ষ তাকে নিবন্ধিত খেলোয়াড় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং মাঠে নামার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি।
এই বিষয়ে রোনালদিনহো বলেন, তিনি আশা করেন, তার এই সিদ্ধান্তের প্রভাব যেন সবচেয়ে ইতিবাচকভাবে পড়ে। অন্যদের যেন অনুপ্রাণিত হতে পারে এবং নিজেদের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পেতে পারে—যেমন তিনি তার স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পেরেছেন।
উল্লেখযোগ্য যে, ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা ফুটবলার বার্সেলোনা, এসি মিলান, পিএসজি এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করেছেন। ক্যারিয়ারের গোধূলিবেলায় এসে আবারও বুটজোড়া পরে নতুন গল্প লেখার সুযোগ পাচ্ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন