প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার পর সংঘাত বন্ধের জন্য নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান। আগামী মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারের রাজধানী দোহায় দুই দেশের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে প্রণালি নিয়ে বিরোধ সমাধান করাই হবে মূল আলোচনার বিষয়।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজের উপর সামরিক হামলা বন্ধ করতে সম্মতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান। মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াশিংটন সকল প্রকার সামরিক অভিযান স্থগিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে দুই দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
প্রতিবেদনে এও বলা হচ্ছে, যুদ্ধ শেষে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে হরমুজের নিরাপত্তা এবং জাহাজ চালনাকে কেন্দ্র করে ভিন্ন ব্যাখ্যা থেকেই নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে নির্ধারিত কারিগরি আলোচনায় অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত রয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার ফলস্বরূপ এবং সমঝোতা স্মারকের শর্ত পূরণ না হওয়ায় রোববারের বৈঠকে ইরান অংশ নেয়নি। তিনি দাবি করেন, সমঝোতার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আলোচনা নিয়ে অগ্রগতি সম্ভব নয়।
হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচল পরিচালনার দায়িত্ব একমাত্র ইরানের। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এ দাবি করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালির পরিচালনায় ইরানের ভূমিকায় অনুপ্রবেশ করা হলে তা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের নেতাদের বিরুদ্ধে ‘শিশুহত্যা’, যুদ্ধাপরাধ এবং আগ্রাসনের অভিযোগ এনে বিচার দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলি খামেনি। এক্সে প্রকাশিত একটি বার্তায় তিনি বলেন, এসব অপরাধের জন্য দায়ীদের দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন