প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
খুলনা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষস্থানে রয়েছে খুলনা জেলা।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যশোর। আজ সোমবার যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রকাশিত ফলাফলগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় খুলনা জেলা মোট ৫৪টি কেন্দ্রে ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠানের ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ১৪ হাজার ৪২১ জন, যার ফলস্বরূপ পাসের হারে ৬৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটির মাধ্যমে খুলনা বোর্ডের শীর্ষে অবস্থান গড়ে উঠেছে।
দ্বিতীয় স্থানে থাকা যশোর জেলায় ৫৩টি কেন্দ্রে ৪৯৫টি প্রতিষ্ঠানের ২১ হাজার ৯০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে পাস তাদের ১৫ হাজার ১১৮ জন।
এছাড়া, বাগেরহাট জেলা থেকে ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে, এবং তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ৭৫৭ জন পাস করেন, পাসের হার দাঁড়ায় ৬৬ দশমিক ৩৭।
সাতক্ষীরা থেকে ১৪ হাজার ২৪৬ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন, এবং ৯ হাজার ৪৪৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন, পাসের হার এখানে ৬৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।
কুষ্টিয়া জেলার ১৯ হাজার ৯৮২ শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১২ হাজার ৫৬৯ জন, যার পাসের হার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা থেকে ৮ হাজার ৫৯৪ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৫ হাজার ৯০৪ জন, পাসের হার ৬৮.৭০।
মেহেরপুর জেলা থেকে অংশ নিয়েছিল ৬ হাজার ১২৫ শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৩ হাজার ৯৩৫ জন, পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।
নড়াইল জেলা থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৬ হাজার ১৯৪ জন এবং ৪ হাজার ৩৬ জন পাস করেছেন, পাসের হার ৬৫ দশমিক ১৬ শতাংশ।
ঝিনাইদহ জেলা থেকে আসা ১৫ হাজার ৯৬৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছেন ১০ হাজার ৫৪ জন, পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।
মাগুড়া জেলার ৭ হাজার ৪৯৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশগ্রহণ করেছে। এখানে ৪ হাজার ৮৬০ জন পাস করেছেন, এবং পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী মন্তব্য করেন, ইংরেজি ও গণিতের কারণে আমাদের ফলাফল কিছুটা খারাপ হয়েছে, যার জন্য পাসের হার কমেছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি বিষয়েই ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া, জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও নারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বেশি।
তিনি আরো জানান, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও নির্ধারিত নিয়মগুলি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সংখ্যা নয়, শিক্ষার গুণগত মানই বোর্ডের উদ্দেশ্য।
ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকাল থেকে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন